আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার আমতলীতে সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমতলী পৌরসভার ১নংওয়ার্ডে সরকারি(পাউবোর) জমিতে চলছে দখলের মহোৎসব।
সম্প্রতি সাংবাদিক জসিম সিকদারের বাসা সংলগ্ন মো.সিদ্দিক কবিরাজ সাড়ে চার শতাংশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে পৌরসভার প্লান ব্যাতিত পাকা স্থাপনা নির্মানের কাজ শুরু করলে,পাউবো আমতলী অফিস মো. সিদ্দিকুর রহমান ওরফে সিদ্দিক কবিরাজকে অধিগ্রহন কৃত জমিতে অবৈধ ভাবে পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধসহ নির্মিতব্য স্থাপনা অপসারনের জন্য নির্দেশ দেন ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ইং।
কিন্তু কতিপয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় মো. সিদ্দিক কবিরাজ সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সরকারী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাকাঁ স্থাপনা নির্মানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
শুক্রবার সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় মো.সিদ্দিক কবিরাজ ২০/৩০ জন শ্রমিক নিয়ে নিজে দ্রুত গতিতে পাকা স্থাপনা নির্মানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি দখল করলেও প্রশাসনের তেমন হস্তক্ষেপ নেই।অভিযোগ পেলে নামকাওয়াস্তে নিষেধ করা হয়। দু’একদিন কাজ বন্ধ থাকে, তারপর আবার কাজ শুরু হয়। দখল হয়ে যায় সরকারি জমি।এভাবে কোন রকম বাঁধা ছাড়াই আমতলী পৌরসভার ১ নং ৩নং ওয়ার্ডসহ প্রতিনিয়ত সরকারি জমি দখল করে শতাধিক ঘড়বাড়ি স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) আমতলীর উপ-সহকারী প্রকৌশলী আজিজুর রহমান সুজন মুঠোফোনে বলেন পাউবো অফিস সিদ্দিকের অবৈধ স্থাপনা নির্মান করছে জানার পর তাকে অবৈধ স্থাপনা নির্মান বন্ধ ও মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।নোটিশ অমান্য করে কাজ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌরসভার প্রশাসক মোহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, প্লান ব্যাতিত পৌরসভার মধ্যে কোন স্থাপনা নির্মান করা যাবেনা। এছাড়া সরকারী জমিতে কোন ধরনের স্থাপনা করা যাবেনা। যে কোন উপায় সরকারী জমি উদ্ধার করা হবে।
বরগুনার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হান্নান প্রধান বলেন,পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।