রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম, প্রতিনিধি : রাতভর বৃষ্টির মত ফোটায় ফোটায় ঝরে পড়ছে কুয়াশা।
বিকাল থেকে শুরু করে পরদিন সকাল পর্যন্ত স্থানভেদে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারিপাশ।।তবে গত ২দিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে।
সেই সাথে শিরশিরে বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় তীব্র শীত অনুভুত হচ্ছে। বেলা শেষেও সূর্যের দেখা না মেলায় বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবি ও খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ।
ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে কাজে যেতে না পেরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ব্যাপারী পাড়া গ্রামের ফকির আলী বলেন কাজ না করলে পেঁটে ভাত যায় না। কাজ করলে হাঁ-পা জ্বালা পোড়া করে।
কোদালকাটি ইউনিয়নের সাজাই গ্রামের নুরুল ইসলাম বলেন আমরা গরিব মানুষ কম্বল কেনার টাকা নাই।
এখন পর্যন্ত কোন মেম্বার, চেয়ারম্যান কেউ কম্বল দিলো না আমাক।
মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের শাহ আলম জানান অতিরিক্ত শীতের প্রভাবে তার ছোট বাচ্চার জ্বর,সর্দি,কাশিতে কয়েকদিন থেকে ভুগতেছে।
এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প,প কর্মকর্তা ডা:সারওয়ার জাহান জানান শীতের প্রভাবে অন্যান্য সময়ের তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে ডাইরিয়া,নিউমনিয়া ও শাসকষ্টের রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।
কেউ বহির্বিভাগে চিকিৎসাপত্র গ্রহণ করছে। আবার কোন কোন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান প্রথম পর্যায়ে ১৪শত শীতবস্ত্র কম্বল ৩ ইউনিয়ন পরিষদে দেয়া হয়েছে। ববরাদ্দকৃত শীতবস্ত্র শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।