শিরোনাম :
আফতাব নগরেই সাব-রেজিস্টার মাইকেলের ২৯ ফ্ল্যাট পঞ্চগড়ে পিপি-জিপি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন স্থগিতের দাবিতে আইনজীবীদের সংবাদ সম্মেলন শান্তিগঞ্জে প্রতিবন্ধির জমির ধান কাটা ও হামলার ঘটনায় মানববন্ধন কুমিল্লায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা তেঁতুলিয়ায় দলিল লেখক সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সামসুল সভাপতি ও রাব্বানি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত  দিরাই-শাল্লায় তীব্র লোডশেডিং : অন্ধকারে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ পণ্যসহ পাচারকারী গ্রেফতার বিশ্বম্ভরপুরে যুবকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার তনু হত্যা মামলায় সেনাবাবিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই আমার দেশ বুড়িচং প্রতিনিধির উপর সন্ত্রসী হামলা
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন

রমজানকে উপলক্ষে পঞ্চগড়ের হাট বাজারে বাজার ঊর্ধ্বমুখী, তদারকি প্রয়োজন

Reporter Name / ১৭৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

খাদেমুল ইসলাম, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি : পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে পঞ্চগড়ে তেঁতুলিয়া নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। পাইকারি ও খুচরা বাজারে আলু, পেঁয়াজ, রসুন, গরু দুধ, চাল ও মুরগিসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় রমজানের প্রস্তুতিতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। এতে করে বাজারে প্রশাসনিক তদারকি দুর্বল থাকার অভিযোগ তুলেছেন তারা।

পঞ্চগড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী বলার কেউ নেই।

জেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও দুই-এক দিনের ব্যবধানে বাড়ছে বেশ কিছু পণ্যের দাম। বর্তমানে পাইকারি বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১০ টাকায়, যা খুচরা বাজারে ১৫ টাকা। পেঁয়াজ পাইকারিতে ৩৫ টাকা হলেও খুচরায় ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রসুনের দাম পাইকারিতে ১০০ টাকা, আর খুচরায় ১৪০ টাকার উপরে। শশা খুচরা বাজারে কেজি প্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা ও লেবু হালি প্রতি ৬০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ দিকে ডিম ৩৬ টাকা হালি বিক্রি হলেও, ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত।

তবে এর পাশাপাশি সরেজমিনে বাজারের বিভিন্ন দোকানে গিয়ে দাম আরো যাচাই করা হলে- অনেককেই বেশী দাম নিতে দেখা গেছে।

এ দিকে মুরগির বাজারেও দেখা গেছে ঊর্ধ্বগতি। দেশি মুরগি ৫২০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালী মুরগির দাম ২৬০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায়। পাশাপাশি বয়লার মুরগি ও চালের বাজারেও দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

স্থানীয় ক্রেতারা জানান, রমজান এলেই একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেন। নিয়মিত ও কার্যকর বাজার মনিটরিং থাকলে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতো বলে মনে করেন তারা। তাদের দাবি, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকলে রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।

সরেজমিনে পঞ্চগড় কাঁচা বাজারে কথা হয় রমজানের বাজার নিতে আসা বৃদ্ধ অলিয়র রহমানের সাথে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কাঁচা বাজারে কিছু কিছুর দাম স্বাভাবিক থাকলেও- রমজান ঘিরে অনেক ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এদিকে সব থেকে বেশী দাম বাড়ছে মুরগির বাজারে।

আমিনার রহমান বলেন, রমজানকে ঘিরে বাড়ির জন্য বাজার নিতে এসে চিন্তায় পড়ে গেছি। যে টাকা নিয়ে বাজারে এসেছি, তাতে বাড়ির যা চাহিদা রয়েছে তা হচ্ছে না। রমজানকে ঘিরে প্রত্যেকটা বাজারের মূল্য বেড়ে গেছে।

এ দিকে ক্রেতা ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে কার্যকর তদারকি নিশ্চিত না হলে অসাধু সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে ওঠে। রমজানে সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, কিছু পণ্যের আমদানি কম থাকায় এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বাজারে প্রভাব পড়ছে। ফলে দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ বিষয়ে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামনের সাথে কথা হলে তিনি, রমজানকে কেন্দ্র করে বাজার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দাম নিয়ন্ত্রণে কম মূল্যের প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু অস্থায়ী দোকান তৈরি করা হয়েছে। নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক