সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন

তেতুলিয়ায় সীমান্ত দিয়ে মহানন্দা নদীর ওপর কাশফুল 

Reporter Name / ১২০ Time View
Update : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

খাদেমুল ইসলাম, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি : কবি জীবনানন্দ দাশ শরৎ বন্দনায় লিখেছেন,‘

বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর’। এমন শতশত উক্তি রয়েছে বাংলার সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে দেয়া কাশফুল নিয়ে। কারো জন্য কাশফুল মনের মুগদ্ধতা বাড়ায় আবার কারো জন্য অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা বাড়ায়।

প্রকৃতিতে যখন শরৎ কাল ঋতুরাজ আসে তখন কাশফুলই জানিয়ে দেয় আগমনী বার্তা। তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমানা ছাড়ায়ে শোনাবে মহানন্দা নদী বিভিন্ন চরা অঞ্চল গুলোতে প্রকৃতিতে কাশফুলের রাজত্ব দেখে যে কারোই চোখ-মন জুড়িয়ে আসবে।

কাশফুলের সৌন্দর্য্য দেখতে প্রতিদিন প্রকৃতি প্রেমীদের পদ চারণে মুখরিত বিশেষ করে উপজেলার সদর ইউনিয়ন সাহেব জোত এবং সরদারপাড়া গ্রামে কাশফুলের বাতাসে দোল খাওয়ার দৃশ্য যেন মন কাড়বে সবার। প্রতিবছর শরতের এই সময়টাতে আসলে শহরের মানুষের গাঁয়ে পদাচারণ পড়ে।

শরতের শেষ বিকেল। থেমে থেমে বৃষ্টি। কালো মেঘের আবরণ ভেদ করে উঁকি দিচ্ছে মিষ্টি রোদ। সাদা মেঘের মিটিমিটি হাসি যেন শুভ্রতা ছড়াচ্ছে চারদিকে। ফুটেছে রঙিন শিউলি। সাদা কাশফুল শারদ বন্দনার কলরবে মেতে উঠেছে। শরত শোভায় প্রকৃতিতে সাজ-সাজ রব। নীল আকাশে চলছে সাদা-কালো মেঘের লুকোচুরি। কখনো কালো মেঘে আবার কখনো সাদা মেঘের আভরণে লুকিয়ে হাসছে সোনালী সূর্য।

পরন্ত বিকেলে মুহুর্তের দৃশ্য অন্য রকম। কেউবা স্ব-পরিবারে ঘুরতে আসেন আবার কেউ প্রিয়জনের সাথে এসেছেন সোনালী শরতের মিষ্টি গন্ধের স্বাদ নিতে অনেকেই ছবি তুলে ফেসবুকে পোষ্ট দিচ্ছেন। আবার অনেকেই প্রিয়জনকে মনোমুগ্ধকর দৃশ্যটি ফেসবুকে লাইভে দেখাচ্ছেন। এভাবেই ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা কাশবনে ব্যস্ত সময় পাড় করেন।

কাশফুলের আদি নিবাস রোমানিয়ায়। কাশফুল মূলত ছন গোত্রীয় এক ধরনের ঘাস। ঘাস জাতীয় উদ্ভিদটি উচ্চতায় সাধারণত ৭-৮ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। গাছটির চিরল পাতার দুই পাশ বেশ ধারালো। কাশবন শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে না এর রয়েছে নানা ঔষধি গুণও। নদীর ধার,জলাভূমি, চরা ল, শুকনো এলাকা, পাহাড় কিংবা গ্রামের উঁচু স্থানে কাশের ঝাড় বেড়ে ওঠে। তবে নদীর তীরেই কাশফুল বেশি জন্মাতে দেখা যায়। গ্রাম বাংলার অপরূপ শোভা কাশবন ছিল চিরচেনা দৃশ্য হলেও এই কাশবন এখন আগের মতো চোখে পড়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক