সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন

ফরিদুল আলমের জাল- জালিয়াতি ও প্রতারণায় হুমকির মুখে নারীসহ অনেকেই 

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার : প্রতারক ফরিদুল আলম (৫৭) চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার, পদুয়া, খন্দকার পাড়ার, মৃত সরোয়ার কালামের ছেলে। দীর্ঘদিন যাবত সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের সাথে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করে আসছেন।

সমাজসেবক, ঠিকাদার ব্যবসায়ী, কখনো সরকারের উদ্ধতম কর্মকর্তা, পরিচয় দিয়ে করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত অসহায়, মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত মানুষের সাথে প্রতারণা।

সময়ের ভিন্নতায় তার প্রতারণার কৌশলও স্থান-কাল পাত্র ভেদে বিভিন্ন রকম। কখনো মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক করে করেছেন তাকে ব্ল্যাকমেল, কখনো মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা, কখনো স্থানীয় সরকারের কাগজপত্র জাল জালিয়াতি করে, মানুষকে পাঠিয়ে সেটা মীমাংসার বিষয়ে সে দেখবে বলে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের অর্থ।

উচ্চবিত্ত -মধ্যবিত্ত তো আছেই তার হাত থেকে বাদ যায়নি নিম্ন শ্রেণীর মানুষও, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন অর্থ, নিম্নবিত্ত নারীদের চাকরির প্রলোভনে জিম্মি করে করে, তাদের দিয়ে করে আসছে দেহ ব্যবসা। তার টার্গেট উচ্চ সমাজের এবং নিম্ন বৃত্ত সুন্দরী নারী। প্রথমে তাদের সাথে মামা ভাগ্নি, বাবা মেয়ে সম্পর্ক গড়িয়ে ঘনিষ্ঠ হন, এরপর তাদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়া হয়। কেউ রাজি না হলে হতে হয় ব্ল্যাকমেইলের শিকার।

সরজমিনে অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায়, তার দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন নারীসহ আরো অনেকেই। কেউ প্রতিবাদ করলেই হতে হয়েছে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার, কেউবা ভুগছে একাধিক মামলায়, সেই ভয়ে কেউ প্রতারক ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে কথা বলতে কেউ রাজি নয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান, প্রতারক ফরিদ আমার পাশের বাসায় থাকতো ভাগ্নি পরিচয় আমার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে এরপরে বিভিন্ন সময় আমাকে কুপ্রস্তাব দেয় আমি রাজি না হওয়াতে এবং দূরত্বে চলে আশায় আমি তার দ্বারা ব্লাকমেইলে শিকার হই কিছু নামে বেনামে অনলাইন নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে সংবাদ লিখে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে সমাজে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করে আমার সাজানো গোছানো সংসার জীবনটাকে নরকে পরিণত করেছে। এ বিষয়ে আমার ভাই তার সাথে কথা বললে তাকে হুমকি দেয় এবং পর্যায় ক্রমে হয়েছে কয়েকটি মিথ্যে মামলার শিকার।

এ বিষয়ে ফরিদুল আলমের কাছে জানার জন্য কয়েকটি ধাপে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি। বেশ কয়েকবার তার মুঠোফোনে ফোন দেওয়াতে তার মুঠোফোনটি বন্ধ করে রাখে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক