ষ্টাফ রিপোর্টার : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাত্তার মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা এক ‘নারী কেলেঙ্কারীর’ ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, মূল ঘটনা থেকে জনদৃষ্টি সরাতে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসানকে বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাত্তার মিয়ার সাথে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক নারীর আপত্তিকর ঘটনার ভিডিও এবং তথ্য জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে বিপাকে পড়েন সাত্তার মিয়া।
অভিযোগ উঠেছে, নিজের এই অনৈতিক কর্মকাণ্ড আড়াল করতে এবং আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে প্রভাবশালী এই জনপ্রতিনিধি উল্টো ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসানকে এই ঘটনার সাথে জড়িয়ে অপপ্রচার শুরু করেছেন।
মেহেদী হাসানের অনুসারী ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, মেহেদী হাসান এলাকায় জনপ্রিয় এবং অন্যায়ের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত নৈতিক স্খলনের দায় ছাত্রদল নেতার ওপর চাপিয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার একটি পরিকল্পিত নীল নকশা করা হচ্ছে।
মেহেদী হাসান সংবাদমাধ্যমকে জানান, “চেয়ারম্যানের অনৈতিক কর্মকাণ্ড এখন ওপেন সিক্রেট। নিজের অপরাধ ঢাকতে তিনি আমাকে এবং আমার সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছেন। আমি এই ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানাই এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করছি।”
এদিকে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের এমন কর্মকাণ্ডে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।