রোমান আহমেদ, জামালপুর : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ইমামপুর বিসমিল্লাহ ইটভাটায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও পুনরায় ইট তৈরির প্রস্তুতির অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। জরিমানাতেই কি সীমাবদ্ধ থাকছে প্রশাসন, এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
গত বছর পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে এই ভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ইমামপুর এলাকায় বিসমিল্লাহ ইটভাটায় মাটি কেটে ইট তৈরির কাঁচামাল তৈরির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ভাটায় শ্রমিক এনে চুল্লি মেরামত ও ছাঁচে ইট তৈরির প্রস্তুতি চলছে। বিসমিল্লাহ ইটভাটা পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন বা নবায়নকৃত লাইসেন্স নেই।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের অভিযানের পর কিছুদিন বন্ধ থাকলেও গোপনে আবারও ভাটা মালিক ইট তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভাটাটি রাস্তার পাশে হওয়ায় চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। সব সময় মাহিন্দ্র গাড়ি চলাচল করার ফলে দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা থাকে। ধোঁয়া আর ধুলাবালিতে চারপাশের পরিবেশ দূষিত হয়। শিশু ও বৃদ্ধ লেকজন শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়।
আবুল কাশেম নামে এক ব্যক্তি বিসমিল্লাহ ইটভাটা গুড়িয়ে দেয়ার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে ইটভাটা বসতবাড়ির ভিতরে অবস্থান। ভাটা চালু হলে ফল-ফলাদি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে।ইটভাটার কালো ধোয়ার ফলে জনস্বাস্থ্য হুমকিতে পড়বে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বক্তি বলেন, পূর্বের অভিযানে ইটভাটা গুড়িয়ে দেয়া হলে পাশে হাসপাতাল তৈরীর জন্য জায়গা প্রস্তাবিত করা হয়।কিন্তু এবারও অবৈধ ইটভাটা চালুর তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর জামালপুরের সহকারী পরিচালক এ কে এম ছামিউল আলম কুরসী বলেন, “হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমোদনহীন সব ভাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবৈধভাবে কেউ ভাটা চালু করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”