শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে হরিলুট হচ্ছে ৩ ফসলি জমির মাটি, বিক্রি হচ্ছে ইটভাটায় একদিন পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাস চলাচল স্বাভাবিক জনমনে স্বস্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের টিকাদান প্রায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, রোগী ১০১৭ জন ইসলামিক টেলিভিশনে সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ পেলেন হাসান বশির জাতীয় ম্যাগাজিন ‘মাসিক অগ্নিবার্তা’র ৩২ বছর পূর্তি উদযাপন  জনতা পার্টি বাংলাদেশ ও  এনডিএফ-এর যৌথ উদ্যোগে বৈশাখী আড্ডা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা  তনু হত্যা মামলার আসামি রিমান্ড শেষে সাবেক সেনা সদস্য হাফিজুর কারাগারে কুমিল্লায় নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর রাজস্ব কর্মকর্তা মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লাকে আধুনিক ও বাসযোগ্য করতে মনিরুল হক চৌধুরীর ১১ দফা কর্মপরিকল্পনা
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন

মামলা প্রত‍্যাহার ও হয়রানির প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক বরাবরে গ্রামবাসীর অভিযোগ 

Reporter Name / ৮৪ Time View
Update : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : কৃষকদের উপর দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও পুলিশী হয়রানির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার এবং তাহিরপুর উপজেলা নিবাহী অফিসার বরাবরে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার ১০ নভেম্বর দুপুরে গ্রামবাসীর গণস্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ভূমিহীন কৃষক এনতাজুল ইসলাম।

অভিযোগে উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে যাদুকাটা নদীর পাড় সংলগ্ন ঢালার পাড় এলাকায় বেশ কয়েকটি ভূমিহীন পরিবারের বসতবাড়ি-ফসলি সরকারি জমি বালু খেকোদের হাত থেকে রক্ষা ও মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে মুক্তি। মৌজা পুরান লাউড়, জেএল নং-১৩৩, খতিয়ান-১, দাগ নং-৪০৩। এই ভূমিতে আমরা দীর্ঘ ৬৫ বছর যাবত বসবাস করে আসছি। এই ভূমি সবই সরকারী খতিয়ানের। কিন্তু একটি ভূমি খেকো চক্র বালু উত্তোলনের জন‍্য মনগড়া ভূমির কাগজ সৃজন করে যেখানে বালু উত্তোলন করা যাবে, সেখানেই তাদের নামের ভূমি দাবি করে জবর দখল করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাহিরপুর থানা পুলিশ ও ভূমি অফিসের যোগসাজশে বালু খেকো সিন্ডিকেটের মূলহোতা বেলায়াত হোসেন গং কয়েকটি ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করে সরকারি খাস খতিয়ানের ভূমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে যাদুকাটা নদীর তীরবর্তী এই ভূমিতে বসবাস করে আসছেন এবং ধান ও সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। থানা পুলিশ ভূমিহীন পরিবারের ১৬ জন কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার পর আদালত থেকে জামিন নিয়েও বাড়িতে ঘুমাতে পারছেন না। ব্যাপক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বালু খেকো চক্রটি রাতে ও দিনে বসতবাড়ি ও নদীর চর কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এসবের প্রতিবাদ করলেই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। তারা এই হয়রানি বন্ধ ও সরকারের জমি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। গ্রামবাসীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন স্থানীয় ভূক্তভোগী রতন মিয়া, জামাল উদ্দিন, সাইদ মিয়া, নয়ন মিয়া, বিলাল মিয়া, তাহির মিয়া, রমজান আলী, হারিছ মিয়া, রুবেল মিয়া, সেলিম মিয়া, সোহেল মিয়া, আব্দুল বারী, নুর জামাল, রিপন মিয়া, সাফায়েত, তোফাজ্জল, জয়নাল আবেদীন, খোকন মিয়া, নজরুল মিয়া, মইন উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, রুহুল আমিন, মোহাম্মদ আলী, হাদিস মিয়া, সোহাগ মিয়া, কবির মিয়া, আলমগীর প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক