শিরোনাম :
লাকসামে স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার কুমিল্লা সীমান্তে ৭২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ ফজিলাতুন্নেছা জোহা হলে ভোগান্তি : গ্যাস, ওয়াইফাই ও খাবারের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী প্রশিক্ষণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হামের টিকাদান কর্মসূচীর”উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্য সচিব তেঁতুলিয়ায় ৫ মাসের শিশুকে উদ্ধার করে মায়ের জিম্মায় ফিরিয়ে দিল পুলিশ তেঁতুলিয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে প্লাস্টিকের ব্যাংক বক্স  ও নতুন টাকার নোট  উপহার কুমিল্লার বুড়িচংয়ে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ডাকাতি; টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট বিশ্বাস রাখুন তারেক রহমান সরকার আমাদের সন্তানদের জীবন সুরক্ষায় কোন কমতি করবেনা : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী তিরনই হাট ইউনিয়ন পরিষদের দুই গ্রাম পুলিশ সদস্যের বিদায় সংবর্ধনা
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

শাল্লায় স্থায়ী বাঁধে আদালতের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জোরপূর্বক কাজ করছে

Reporter Name / ৩৪ Time View
Update : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

তৌফিকুর রহমান তাহের, বিশেষ প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় দাড়াইন নদীর তীরবর্তী হাওর রক্ষা স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে আদালতের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জোরপূর্বক রাতের আঁধারে বাঁধ নির্মাণের কাজ করার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী জায়গার মালিক পিকলু তালুকদার এই অভিযোগ করেন এবং রাতের আঁধারে কাজ করার একটি ভিডিও ধারন করে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে দেন। তবে শাল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ড রাতের আঁধারে বাঁধ নির্মাণের কাজ করার বিষয়টি অস্বীকার করলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাঁধ নির্মাণের কাজ করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামির মালিক ও অভিযোগকারী পিকলু তালুকদার বলেন, আমার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুনামগঞ্জ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে আমার উল্লেখিত রেকর্ডিয় জমির উপর ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। থানা প্রশাসন থেকে আমাদের উভয় পক্ষকে উক্ত জায়গায় কোনো প্রকার কাজ না করতে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু পরেরদিন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোক আফজাল মিয়া জোরপূর্বক আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাতের আঁধারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর প্রমাণ হিসেবে আমার কাছে একটি ভিডিও রেকর্ড রয়েছে। সেই সাথে শাল্লা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জাকির হোসেনকে অবহিত করলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী উপ-পরিদর্শক জাকির হোসেন বলেন, বাদী পিকলু তালুকদার আমাকে বিষয়টি জানানোর পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোককে জানিয়েছি তারা বলছেন, কাজ বন্ধ আছে। আদালতের আদেশ পাওয়ার পর উভয় পক্ষকে সংশ্লিষ্ট জায়গায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আফজাল মিয়া জানান, উক্ত জায়গায় আমাদের ব্লক বসানো ছিল ও কিছু মালামাল থাকায় এগুলো সরানোর জন্য রাতে কাজ করেছি। যেখানে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছেন সেখানে আদালতে মিমাংসা না হওয়া পর্যন্ত ঐ জায়গায় কোনো পক্ষই যাওয়ার বিধান নেই তাহলে আপনারা কেন রাতে কাজ করলেন জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, আমাদের বাঁধা দেয়ার পর স্থায়ী বাঁধে কোনো কাজ করি নাই। দিনের বেলা আমাদের লেবাররা প্রডাকশনের কাজ করেছিল এবং রাতে তাদের ওভারটাইম দিয়ে ওই জায়গায় রক্ষিত মালামালগুলো সরিয়ে নেই। এ বিষয়ে কিছু না লিখতে সরাসরি দেখা করে কথা বলার প্রস্তাব দেন।

এ ব্যাপারে শাল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেকশন কর্মকর্তা ওবায়দুল হক বলেন, জমির মালিক আপত্তি দেয়ার পর বাঁধে কাজ করা হয়নি এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা আসার পর রাতের আঁধারেও কাজ হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, যেখানে মাননীয় আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছেন সেখানে কেউ কোনো প্রকার বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারবেনা এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখতেছি।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ (পওর-২) নির্বাহী প্রকৌশলী এমদাদুল হক জানান, আদালতের কথা শুনে ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ রাখতে বলেছি। আদালতের অনুমতি ব্যতীত সংশ্লিষ্ট জায়গায় ব্লক বা মালামাল সরানোর কাজও করা যাবেনা। আমি তাদেরকে বলে দিতেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক