শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে চা শ্রমিক নিহত, আহত ২ জনতা পার্টি বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ শান্তিগঞ্জে হরিলুট হচ্ছে ৩ ফসলি জমির মাটি, বিক্রি হচ্ছে ইটভাটায় একদিন পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাস চলাচল স্বাভাবিক জনমনে স্বস্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের টিকাদান প্রায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, রোগী ১০১৭ জন ইসলামিক টেলিভিশনে সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ পেলেন হাসান বশির জাতীয় ম্যাগাজিন ‘মাসিক অগ্নিবার্তা’র ৩২ বছর পূর্তি উদযাপন  জনতা পার্টি বাংলাদেশ ও  এনডিএফ-এর যৌথ উদ্যোগে বৈশাখী আড্ডা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা  তনু হত্যা মামলার আসামি রিমান্ড শেষে সাবেক সেনা সদস্য হাফিজুর কারাগারে
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন

দায়িত্বশীল হাওর পর্যটন, সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রতিকার শীর্ষক সুনামগঞ্জে ট্যুরিজম বোর্ডের সেমিনার

Reporter Name / ২৪৬ Time View
Update : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

মো আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ : দায়িত্বশীল হাওর পর্যটন : সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রতিকার’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে সুনামগঞ্জে। শনিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।

প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ।

প্রবন্ধ উপস্থাপনায় বলা হয়, টাঙ্গুয়ার হাওর শুধু সুনামগঞ্জ নয়, সমগ্র বাংলাদেশের একটি অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘রামসার সাইট’ হলেও অনিয়ন্ত্রিত পর্যটনের কারণে হাওরের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব, উচ্চ শব্দদূষণ, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং পাখির আবাসস্থল নষ্ট হওয়া-এসব সমস্যার কারণে টাঙ্গুয়ার হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, দায়িত্বশীল পর্যটন মানে এমন পর্যটন ব্যবস্থা, যা পরিবেশ, সমাজ ও স্থানীয় অর্থনীতির প্রতি দায়বদ্ধ থাকে। হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি এর প্রতিবেশ ও সংস্কৃতি রক্ষায় পর্যটক, স্থানীয় জনগণ এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। হাওরাঞ্চলে পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার সময় প্রকৃতি সংরক্ষণের বিষয়টি সর্বাগ্রে রাখতে হবে।

আলোচনায় বক্তারা আরও বলেন, টেকসই ইকোট্যুরিজম গড়ে উঠলে স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান বাড়বে, জীবিকা উন্নত হবে এবং হাওরভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি, হাওরের লোকসংগীত, নৌকা বাইচ উৎসব ও নৌসংস্কৃতির পুনরুজ্জীবনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষিত থাকবে। এতে পর্যটক আকর্ষণ যেমন বাড়বে, তেমনি প্রকৃতির ভারসাম্যও বজায় থাকবে।

সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক ও পরিবেশকর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক