সমরেশ রায় ও মানসী কর্মকার, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ : আজ ৬ই জানুয়ারি মঙ্গলবার, বহু পুরানো এই আমডাঙ্গা করুণাময়ী মায়ের মন্দিরটি, এই করুণাময়ী মা খুবই জাগ্রত বলে জানা যায়, কয়েক পুরুষ ধরে রীতিনীতি মেনে হয়ে আসছে এই মায়ের পূজো, আর এই করুণাময়ী মাকে ঘিরেই প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয় পূজো, মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চলে এক মাস ব্যাপী। বহু মানুষ এই মায়ের কাছে প্রার্থনা ও মানত করে থাকেন। আর এই দিনে তারা সেই মানত শোধ করেন ।
প্রতিবছর ২৫শে ডিসেম্বর জাঁকজমক ভাবে মায়ের পূজো হয়ে থাকে, এবং এই পুজোকে ঘিরেই প্রায় কয়েকশো দোকান মেলায় বসে, শুধু তাই নয় দূর দূরান্ত থেকে পূজো দিতে ছুটে আসেন আমডাঙ্গা করুণাময়ী কালী মায়ের কাছে, সকাল থেকেই মায়ের মন্দিরে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে, কিন্তু এতটা শান্তি-শৃঙ্খলা ভাবে পূজো দেন ভক্তরা।
ধৈর্য সহকারে সকল ভক্তরা লাইনে দাঁড়িয়ে একের পর এক মায়ের কাছে পুজো দেন, এবং তাদের মনস্কামনা পূর্ণ করেন। এই পুজোকে ঘিরেই চলে ২৫শে ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১৫ ই জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও মেলা। মেলাতে হরেক রকম সামগ্রী পাওয়া যায়। ছোট থেকে বড়রা মেলায় ভিড় জমাতে থাকেন সঙ্গে থেকেই।
আর গ্রাম বাংলার মেলা মানি একটা আলাদা ঐতিহ্য, কলকাতায় বিভিন্ন রকম মেলা হলেও গ্রাম শহরে সেই ভাবে মেলা হয় না কোন কিছুকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় এলাকায় এই ধরনের মেলা আর সেখানে ভিড় জমান এলাকাবাসী ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা। তারা এই কটা দিন আনন্দ উপভোগ করেন মেলা ঘুরে। তাহার সাথে সাথে এলাকাবাসী ও আনন্দে মেতে উঠেন, এবং এই উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ পান,
তবে পুজো উদ্যোক্তাদের কাছে জানা যায়, এই আমডাঙ্গা করুনাময়ী কালী মা এতটাই জাগ্রত, যে যা মানত করেন সফল হন , অআর তাহারাই সেই মানত শোধ করতে দূর-দূরান্ত থেকে এসে ভিড় জমান এই মায়ের কাছে।। আমরাও চেষ্টা করি ভক্ত বৃন্দদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য, যাহাতে কোনরকম গন্ডগোল না ঘটে, আমাদের এলাকার প্রশাসনও যথাযথ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, আমরা এর জন্য চির কৃতজ্ঞ। সবার কাছে।