ইনসাফ ডেস্ক : একটি জাতির প্রকৃত শক্তি তার শিক্ষা, সংস্কৃতি ও কৃষ্টির উপর প্রতিষ্ঠিত। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—যে জাতির শিক্ষা ও সংস্কৃতি ধ্বংস হয়েছে, সেই জাতির অস্তিত্বও বিপন্ন হয়েছে। এই উপলব্ধি থেকেই “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এম এ রউফ (কাতার) এক যৌথ বিবৃতিতে ঘোষণা করেন যে, দেশের শিক্ষা উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিদের যথাযথ সম্মান প্রদানের লক্ষ্যে প্রতি জেলায় একজনকে “শিক্ষানুরাগী দেশবন্ধু” উপাধি প্রদান করা হবে।
মূল উদ্দেশ্য, শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে শিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং শিক্ষানুরাগীদের সম্মানিত করা।
মনোনয়ন ও নির্বাচন প্রক্রিয়া :
স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাত এড়াতে মনোনীত ব্যক্তিদের নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গের সমর্থন থাকতে হবে:
সংশ্লিষ্ট জেলার মাননীয় সংসদ সদস্য (MP)
জেলা প্রশাসক (DC)
পুলিশ সুপার (SP)
প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদক
বণিক/ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ।
খেতাব প্রদানের মানদণ্ড
বিগত ৫০ বছরে শিক্ষা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানস মাজে শিক্ষার প্রসারে কার্যকর ভূমিকা, সততা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
বিশেষ ঘোষণা, সংসদ ইতোমধ্যে দেশের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে ঐতিহাসিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নবাব স্যার সলিমুল্লাহকে “দেশবন্ধু” খেতাব প্রদান করেছে, যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
এই ধারাবাহিকতায়, আগামীতে দেশের প্রতিটি জেলায় নবাব স্যার সলিমুল্লাহর আদর্শে অনুপ্রাণিত শিক্ষানুরাগীদের এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।
এছাড়াও, প্রতি বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের ভিত্তিতে ৫টি খাতে মোট ১০ জন (৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা)-কে “বর্ষ বন্ধু” খেতাব প্রদান করা হবে।
সুপারিশ আহ্বান,সকল রেমিটেন্স যোদ্ধা, তাঁদের পরিবারবর্গ এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানানো যাচ্ছে যে—
আপনাদের নিজ নিজ জেলার বিগত ৫০ বছরের শিক্ষা উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিদের মধ্য থেকে অন্তত ৫ জনের নাম সুপারিশ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
অন্তর্ভুক্ত জেলা
বাংলাদেশের সকল ৬৪টি জেলা থেকে এই মনোনয়ন গ্রহণ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে:
ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের সকল জেলা।