শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে হরিলুট হচ্ছে ৩ ফসলি জমির মাটি, বিক্রি হচ্ছে ইটভাটায় একদিন পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাস চলাচল স্বাভাবিক জনমনে স্বস্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের টিকাদান প্রায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, রোগী ১০১৭ জন ইসলামিক টেলিভিশনে সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ পেলেন হাসান বশির জাতীয় ম্যাগাজিন ‘মাসিক অগ্নিবার্তা’র ৩২ বছর পূর্তি উদযাপন  জনতা পার্টি বাংলাদেশ ও  এনডিএফ-এর যৌথ উদ্যোগে বৈশাখী আড্ডা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা  তনু হত্যা মামলার আসামি রিমান্ড শেষে সাবেক সেনা সদস্য হাফিজুর কারাগারে কুমিল্লায় নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর রাজস্ব কর্মকর্তা মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লাকে আধুনিক ও বাসযোগ্য করতে মনিরুল হক চৌধুরীর ১১ দফা কর্মপরিকল্পনা
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন

পঞ্চগড়ে বিলুপ্তির পথে কাচারি ঘর

Reporter Name / ১৯৫ Time View
Update : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

মো : সোহরাব আলী, তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় প্রতিনিধি : একসময়ের গ্রামের ঐতিহ্য ছিল গ্রামে বসবাসকারী সাধারণত বড় কৃষক, ধনী লোক ও পাঠান চৌধুরীদের কাচারি ঘর নামে পরিচিত ঐতিহ্যের এই প্রতীক। কালের বিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগে কাচরি ঘর এখন বিলুপ্ত হয়ে গেছে। গ্রামে গঞ্জে কোথাও দেখা মিলছে না একটি কাচারি ঘরের। ৯০ দশকে চোখে পড়ার মতো কাচারি ঘর ছিল গ্রামের প্রায় বাড়িতেই। যে ঘরে আত্মীয়-স্বজন মেহমান, রাত্রি যাপন করত আরো রাত্রি যাপন করত কৃষকের বছরের কামলা ( শ্রমিক), বিবাহ করার পূর্ব পর্যন্ত বাড়ির বড় ছেলে, ভাতিজা ভাগনা সহ অনেক লোকজন। আজ আধুনিকতার ছোঁয়ায় আত্মীয়-স্বজন মেহমান এবং বাড়ির লোকজন বাড়িতে ঘরেই মেহমান খানায় রাত্রি যাপন করে। গ্রামের মানুষ এখন অপরিচিত ব্যক্তিদেরকে বাড়িতে তাদের নিজ ঘরের একটি কক্ষে রাত্রিযাপন করতে দেয় কিন্তু ৯০ দশক পর্যন্ত বাড়ির ঘরের কোন রুমে আত্মীয়-স্বজন মেহমান বাড়ির কাজের লোক অপরিচিত আগন্তক ব্যক্তি, ভিক্ষুক, মুসাফির সকলেই একসাথে সেই কাচারি ঘরে রাত্রি যেমন করত। গ্রামের প্রায় প্রত্যেকটি ধনী বাড়িতেই একটি করে কাছারি গড় বা বৈঠকখানা না থাকলে ওই বাড়ির ঐতিহ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম ছিল এমনকি কেউ তাদের সাথে আত্মীয়তা পর্যন্ত বাতিল করে দিত বিবাহ সাদিও বন্ধ থাকতো আর আজ সেই ঐতিহ্যের প্রতীক কাছারি গড় বা বৈঠকখানা কোথাও চোখে পড়ে না। আত্মীয়র বাড়িতে যারা রাত্রি যাপন করতে আসতো বিশেষ করে মামা, খালু, শালা, ভগ্নিপতি, দুলাভাই, নানা,ফুফা, শশুর, বন্ধুবান্ধব সকলকেই ওই কাছারি ঘরে করতে হতো রাত্রি যাপন। উপজেলার সালবাহান এলাকার ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ আলহাজ্ব আব্দুস সালাম জানান, কাছারি ঘরের ঐতিহ্য ছিল অনেক বেশি। আজ সেই কাছারি ঘর না থাকায় আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধবদেরকে বাড়ির ঘরের ভিতরে একটি পক্ষে জায়গা দেওয়ার কারনে অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়, এমনকি চুরি ডাকাতির মত ঘটনা ঘটে। বাড়ির মহিলাদের পর্দা ছিল ব্যাপক তারা পর পুরুষের সাথে কখনো দেখা করত না, নতুন বউদের তো কথাই নেই, এমনকি বাড়ির মা মেয়ের শশুর (বিহাই) এর সাথেও দেখা করত না কোনদিন। আজ আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়ে সব একাকার হয়ে গিয়েছে আগের দিনের এই সভ্যতা কি আরো ফিরে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক