শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে চা শ্রমিক নিহত, আহত ২ জনতা পার্টি বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ শান্তিগঞ্জে হরিলুট হচ্ছে ৩ ফসলি জমির মাটি, বিক্রি হচ্ছে ইটভাটায় একদিন পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাস চলাচল স্বাভাবিক জনমনে স্বস্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের টিকাদান প্রায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, রোগী ১০১৭ জন ইসলামিক টেলিভিশনে সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ পেলেন হাসান বশির জাতীয় ম্যাগাজিন ‘মাসিক অগ্নিবার্তা’র ৩২ বছর পূর্তি উদযাপন  জনতা পার্টি বাংলাদেশ ও  এনডিএফ-এর যৌথ উদ্যোগে বৈশাখী আড্ডা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা  তনু হত্যা মামলার আসামি রিমান্ড শেষে সাবেক সেনা সদস্য হাফিজুর কারাগারে
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন

মেলান্দহে ভূমি অফিস যেনো দূর্নীতির আখড়া 

Reporter Name / ১০৯ Time View
Update : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫

রোমান আহমেদ, জামালপুর : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয় ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা রাসেল রানা ও ঝাড়ুদারের বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ-দুর্নীতির কারণে এখানে অনিয়মই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন সেবাপ্রার্থীরা।

স্থানীয়রা জানান, অনেকেই জানেন না সরকার নির্ধারিত ফি ও সিটিজেন চার্টারের খবর। ফলে ভূমি অফিসের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের যোগা সাজসে দালাল ও টাউটদের পাল্লায় পড়েন গ্রামের নিরীহ সাধারণ মানুষ। ঝাড়ুদার আবুল কালাম কালু নিকট কোন টাকা হাতে পড়লেই তার কাছে ঘেষা যায় না। মনে হয় ঝাড়ুদার আবুল কালাম ওরফে কালু যেনো বড় কর্মকর্তা।

কুলিয়া ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা বাহাদুর মিয়া বলেন, আমার এখানে ১০ শতাংশ খাস জমি (সরকারি জমি) আছে। সেটা আমার নামে প্রত্যয়ন করে দেয়ার জন্য ৩০ হাজার টাকা নেন নায়েব রাসেল। অধিক সময় অতিবাহিত হলেও কোন কাজ হচ্ছে না।

তারাকান্দি গ্রামের ভুক্তভোগী হাফেজ উদ্দিন ও আমিনুর বলেন, ২২ শতাংশ জমি ৮০ হাজার টাকা ঘুস নেন আবুল কালাম (কালু)। গত দুই বছর ধরে জমি প্রত্যয়ন করার জন্য দিছি। এখন তার কাছে জানতে চাইলে বলে কাজ হচ্ছে, হবে। কিন্তু কাজ করে দেয় না। আমরা টাকা চাইতে গেলে উল্লাটা হুমকি দেয়।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে আরও বলেন, এসব অনিয়ম দেখার কেও নেই। এভাবে চলতে থাকলে সাধারণ মানুষ তাদের জমিজমা নিয়ে চরম বিপদে পড়বে। (নায়েব) রাসেল ও আবুল কালাম ওরফে কালুর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া না হলে দুর্নীতি আরও বাড়বে। তাদের দুর্নীতির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন কুলিয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

কুলিয়া ভূমি অফিসের ঝাড়ুদার আবুল কালামের (কালু) কাছে জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় ভুক্তভোগীদের নামে গালিগালাজ করে। তবে খাস জমি বন্দোবস্ত করে দেয়ার বিষয় শিকার করে বলেন, আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে টাকা নিছি বলছি কাজ করে দিবো। কাজ না হলে টাকা ফেরত দিব।

কুলিয়া ইউনিয়নের উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তা রাসেল রানার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আলমগীর বলেন, সরকারি নির্দেশনার বাইরে এক টাকা নেয়ার কোনো বিধান নেই। যদি তিনি সরকারি নির্দেশনার বাইরে কিছু করেন তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক