শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ হরিমোহন স্কুলে মাদকবিরোধী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ে পৌরসভার টোল কমানোর দাবিতে রিকসা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের মানববন্ধন ও কর্মবিরতি চামরদানী ইউনিয়নের জনতা বাজারে বিট পুলিশিং ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় ভিক্ষুককে কুপিয়ে ছিনতাই, অভিযুক্ত কিশোর গ্যাং নেতা আটক আগুন ঝরা দুপুর  ময়মনসিংহ মেডিকেল হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড পরিদর্শনে এমরান সালেহ প্রিন্স মামী-ভাগিনীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা ইট ভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায়, বিপন্ন জনজীবন, হুমকিতে পরিবেশ!  তেঁতুলিয়ায় শিক্ষিকার কম্পিউটার সনদ জাল প্রমাণিত : বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা  সেপটিক ট্যাংকে শেল্টারিংয়ের কাজ করতে গিয়ে রাজমিস্ত্রীসহ মৃত্যু ২
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন

তেঁতুলিয়ায় শিক্ষিকার কম্পিউটার সনদ জাল প্রমাণিত : বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা 

Reporter Name
Update : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘ সাড়ে ২২ বছর চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) ওই শিক্ষিকার বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি কোষাগার থেকে উত্তোলিত ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা আদায়যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর অভিযুক্তদের এমপিও বাতিল, নিয়োগ বাতিল এবং সরকারি অর্থ পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশনা দিয়ে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।

এর ধারাবাহিকতায় নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মোছা. ফাতেমা জান্নাহর বিরুদ্ধে সম্প্রতি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফাতেমা জান্নাহ কর্তৃক দাখিলকৃত কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদটি জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ডিআইএর পরিচালক অধ্যাপক এম. এম. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত জাল ও ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালে জাল বা ভূয়া সনদধারীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া পর্যন্ত তিনি সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা হিসেবে মোট ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা উত্তোলন করেছেন। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী, এ অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।

এ বিষয়ে নওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ফাতেমা জান্নাহর স্বামী ও একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কম্পিউটার সনদ নিয়ে আপত্তি ওঠার পর একাধিকবার শোকজ করা হয়েছিল। তিনি জানান, দুই দফা শোকজের জবাব দেওয়ার পর পুনরায় শোকজ করা হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবারও জবাব দাখিল করা হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (ডিজি অফিস) এবং বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) থেকেও পৃথকভাবে শোকজ করা হয়েছিল। কম্পিউটার সনদের বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, সনদটি সঠিক রয়েছে। অডিটর এক লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। টাকা না দেয়ায় তিনি এমন প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে আমাদের ধারণা।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অডিট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে সনদটি জাল বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ক্যালেন্ডার

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031