শিরোনাম :
খুলনায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন, কার্ড পেলো কতজন? সাভারের বিরুলিয়ায় জমি দখলমুক্ত হলো পঞ্চগড়ে জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থী মিমের বাঁচার আকুতি পঞ্চগড়ের বোদায় সুয়েরপার সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযানে ভারতীয় গরু আটক পঞ্চগড়ের বোদায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে মহড়া অনুষ্ঠিত দৌড়ে পালালেন পঞ্চগড়ের মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কোস্ট গার্ডের অভিযানে সুন্দরবনে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দয়াল বাহিনীর সদস্য আটক সুনামগঞ্জে দিরাইয়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন

মা জানেন না ছেলে আর নেই, বাবা লাশ আনতে ঢাকার পথে

Reporter Name / ১৬৮ Time View
Update : রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪

মো:মফিদুল ইসলাম সরকার রংপুর প্রতিনিধি : ঢাকার গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি’র পিকনিকের দোতলাবাসে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে একজন বাড়ী রংপুরের জুম্মাপাড়ায়।

তিনজনের মধ্যে একজন হলেন মুবতাসিম রহমান মাহিন (২২) । মাহিন ওই এলাকার ইমতিয়াজ হোসেন ইমনের ছেলে ।

বিবিণ্ন সূত্রে জানাগেছে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিকনিকে যাওয়ার পথে শনিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাজিপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের উদয়খালী গ্রামে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যান মাহিন। মাহিনের বাবা ইমতিয়াজুর রহমান ইমন এবি ব্যাংকের সৈয়দপুর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক। দুই ভাইয়ের মধ্যে মাহিন বড়। মাহিনের চাচা হাসান রহমান জানান, ইউনিভার্সিটিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড বিজনেস সোসাইটিতে শেষ বর্ষে পড়ছিলেন মাহিন। শনিবার সকালে সে পিকনিকে যাওয়ার পথে বাসে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছে। জানাগেছে ,মাহিনের বাবা ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন মাহিনের লাশ নিয়ে আসার জন্য।

এদিকে মাহিন মারা যাওয়ার খবর তার মাকে এখন পর্যন্ত জানানো হয়নি।

‘চাচাতো ভাই ইমতিয়াজ রহমান বলেন,‘সর্বশেষ দুই সপ্তাহ আগে কথা হয়েছিল। আর কথা হয়নি। অনেক ভালো ছিল মাহিন ভাই। কখনও কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করতো না। আমাদেরকে অনেক ভালোবাসত। ভাইকে অনেক মিস করব। আমার ভাইয়ের মতো যেন আর কারও মৃত্যু না হয় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি।’ মাহিনের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন ছোটবেলার বন্ধু তাসিম। মাহিনের বাড়ির পাশে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাসিম বলেন, ‘আন্দোলনের সময় তিন মাস একসাথে ছিলাম। কিন্তু পরীক্ষা থাকায় সে ঢাকায় চলে যায়। প্রায় দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে হঠাৎ সে বাড়িতে আসছিল। যাওয়ার সময় খুব তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরবে বলে জানিয়েছিল। কিন্তু বন্ধু যে সারা জীবনের জন্য ফিরবে তা কল্পনাও করতে পারছি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক