বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কর্মক্ষম শক্তিকে দিয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা যাবে : নূরুল ইসলাম বুলবুল    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে করণীয় নিয়ে মতবিনিময় সভা অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিসি অফিস ঘেরাও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা গোপালগঞ্জে জেলা পুলিশের মাসিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আলোচনা সভা   আন্তর্জাতিক যুব দিবসে কুমিল্লায় জামায়াতের যুব সমাবেশ, তারুণ্যের ঐক্যের আহ্বান গর্তে গর্তে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, কুমিল্লার আমতলীতে ২০ কিলোমিটার যানজট লাকসামে মাইকিং করে চার পরিবারকে সমাজচ্যুতের অভিযোগ গ্রীন ও ক্লিন সিটি গড়তে কুমিল্লায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন দুই শিশু সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করলেন বাবা

পঞ্চগড়ে হোসনেবাদ মাদ্রাসায় ১৩ জন শিক্ষকের ৭ পরীক্ষার্থী, পাশ করেছে ১ জন

প্রতিনিধির নাম।।
প্রকাশকাল : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার হোসেনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৩ জন শিক্ষকের ৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১ জন। এমন ফলাফলে এলাকায় চাঞ্চল্যসহ অভিভাবকের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আইবুল ইসলাম জানান, ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় হোসনেবাদ মাদ্রাসার ৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।কিন্তু পাশ করেছে শুধু একজন শিক্ষার্থী। ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকের সংখ্যা ১৩ জন। কেন এমন ফলাফল হলো, সে বিষয়ে সুপারিন্টেনডেন্টকে আমরা জবাবদিহিতার আওতায় আনব।

তবে প্রতিষ্ঠানটিতে কয়েক বার পরিদর্শন করেছি। প্রতিষ্ঠান টিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা খুবই কম। সেখানকার শিক্ষকদের অন্য প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত করা উচিত সরকারের।

স্থানীয়রা বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত করলে আজ শিক্ষার্থীরা এমন পরিস্থিতি শিকার হতো না। শিক্ষকরা সঠিকভাবে ক্লাস নিলে সবাই পাস করতো।এছাড়া প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী খুই কম। শিক্ষার্থী বাড়ানোর কোন চাহিদা নাই শিক্ষক কর্মচারীদের। সুপারিন্টেনডেন্ট যেখানে মাদ্রাসা ফাঁকি দেয় সেখানে শিক্ষার্থীর কাছে কি আশা করা যায়।

এ বিষয়ে হোসেনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মোছাঃ রৌশনারা বেগমকে মুঠোফোনে পরিচয় দিয়ে ফলাফল নিয়ে মন্তব্য চাইতেই ফোন কেটে দেন। পরে আর ফোনে পাওয়া যায়নি।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, মাদরাসাটি ২০০২ সালে এমপিওভুক্ত হয়। এরপর দফায় দফায় ১৩ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারী এমপিওভুক্ত হয়েছেন।বেতনও পাচ্ছেন নিয়মিত। ২০২৪ সালে দাখিল পরীক্ষায় ১৩ জন শিক্ষার্থী ফরম ফিলাপ করলেও অংশ গ্রহন করে ৫ জন এবং ২০২৫ সালে ৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে,নানা অনিয়ম দুর্নীতি করে গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে কাগজপত্র জালিয়াতি করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কয়েকজন শিক্ষককে। মাদরাসায় নেই শিক্ষার পরিবেশ। ফলে দিন দিন শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ক্যালেন্ডার

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
Web Design By Khan IT Host