রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে নাচোলকে ৪-০ গোলে হারিয়ে শিবগঞ্জের জয় জামালগঞ্জ-ছাতক-দোয়ারায় সড়ক প্রশস্তকরণের প্রকল্প নেই :অবাধে কাটছে দেশিয় গাছ  গণমাধ্যমের খবর দেখে ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের পাশে প্রধানমন্ত্রী, দিলেন চিকিৎসা সহায়তা মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান : এস এম জিলানী ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার মতবিনিময় সভা শুধু জিপিএ ৫ নয়, আদর্শ মানুষ গড়াই শিক্ষার মূল লক্ষ্য : ড. সায়মা ফেরদৌস ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ  ৯ জন গ্ৰেফতার সাংবাদিক তথ্য চাইলে শিক্ষা অফিসে পাঠিয়ে দিন! চরফ্যাশনের ঢালচরে সরকারি খালে বিষপ্রয়োগে মাছ শিকার : হুমকির মুখে উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সাথে আইনজীবী নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

পান চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন পান চাষি কৃষক আহম্মদ আলী

প্রতিনিধির নাম।।
প্রকাশকাল : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন

খাদেমুল ইসলাম, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি : পঞ্চগড় জেলায় তেঁতুলিয়া কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় পরীক্ষা মুলক ভাবে পান চাষে ঝুঁকছেন তেঁতুলিয়া চাষি আহমেদ আলী। তিনি পান চাষে সাফল্যও পেয়েছেন । তাই এই উপজেলায় তিনি পরীক্ষা মুলক ভাবে পান চাষ শুরু করেন গত ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, উপজেলার তেঁতুলিয়া এলাকায় চায়ের পাশাশাশি পান চাষ হয়।
এছাড়া চাষের জন্য তেঁতুলিয়া ইউনিয়নও অন্যতম। স্থানীয় হাট বাজারে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত এসব পান বেচাকেনার হয়। অনেকে আবার পানকে ওষধি গাছ হিসেবে ব্যবহার করছেন।

তেঁতুলিয়া মাগুরা গ্রামের মোঃ ইব্রাহীম আলী বলেন, গত ২ বছর থেকে শ্রমিক হিসেবে তিনি ৬ শত টাকায় হাজিরা কাজ করেন। পান চাষে আগে অভিজ্ঞা জানা তাই পরিচর্যাকারী দায়িত্ব পালন করেন। এতে তার ৬ সদস্য পরিবার সংসার চলে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, তেঁতুলিয়া এই উপজেলায় গত ২ বছরে নিজের জমিতে পান চাষ করা হয়েছে।

তেঁতুলিয়া এলাকার পান চাষি আহমেদ আলী
চাষি জানান, পানের বরজে এক প্রকার ফাপপচা রোগ দেখা দেয়। এ থেকে বাঁচাতে পারলে একটি বরজ ২০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত থাকে। সাধারণ আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে এ রোগটি বেশি দেখা যায়। তবে এ রোগ দমনে ফোরি, এডমা ও কাফডার নামে তিনটি ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও শীতের সময় এক প্রকার বিষাক্ত কুয়াশা পান গাছে লাগলে পান পাতা ঝরে যায়। এতে চাষিরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

পান চাষি বলেন, আমার ১৫ শতক জমির ওপর একটা পানের বরজ আছে, তার বয়স প্রায় ২ বছর হবে। বর্তমানে প্রতি বিড়া পান আকার ভেদে ৬০ থেকে ১০০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি করতে পারছি। বাজারে চাহিদা থাকায় পুরাতন পানের যে দাম পেয়ে ছিলাম, নতুন পানেরও তেমনি দাম পাচ্ছি।

তেঁতুলিয়া পান চাষি আহমেদ আলী অভিযোগে জানান, তিনি কৃষি কর্মকর্তার সহযোগীতা পাননি। এমনকি সোনালি, ব্যাংক রাজশাহী উন্নত ব্যাংক গুলোতে কোন কৃষিঋণ সুবিধা না পেয়ে নিজের চা বিক্রি জমানো টাকা পান চাষ করেন।

তবে কৃষি বিশ্লেষকদের মতে, এই সম্ভাবনাময় খাতকে আরো টেকসই করতে সরকারি প্রণোদনা, সহজ ঋণ, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা এবং বাজারজাতকরণে সহায়তা জরুরি। কারণ ব্যক্তিগত শ্রমে গড়ে ওঠা পানের বরজ এখন গগকৃষকের কাছে কেবল চাষ নয়- গ্রামীণ অর্থনীতির নতুন আশার নাম।

তেঁতুলিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাবরিনা আফরিন সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ক্যালেন্ডার

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
Web Design By Khan IT Host