শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ২ হাজার বোতল সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২, ট্রাক জব্দ যাদুকাটায় বালু উত্তোলনে যন্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট ভারতীয় এলসিতে টমেটো আমদানি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ অপহরণের দাবি করা শিবির নেতা জিসানকে কারাগারে প্রেরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে প্রশিক্ষক তৈরির কর্মশালা পঞ্চগড়ে কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত মসিকের নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ময়মনসিংহে এসএসসি পরীক্ষা-২০২৫ এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি প্রদান আগামী ১ বছরের মধ্যে শাল্লাকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা মাদক বিরোধী ঐক্য পরিষদের ময়মনসিংহে বিভাগীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন

দেবীগঞ্জে হিন্দু পরিবারকে মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানির করার অভিযোগ

Reporter Name
Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

খাদেমুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অভিযুক্ত চৈতা রায়ের (৩০) নামের এক কথিত ইটভাটার মালিকের প্রতারনা ও মিথ্যা মামলার হয়রানির করার অভিযোগ উঠেছে। মিথ্যা মামলার হয়রানী শিকার হয়েছে ক্ষতি গ্রস্থ পরিবার একই উপজেলার জিতেন্দ্র নাথ (৪০)ও ভবেশ চন্দ্র রায় (৫০) নামের দুই সহদোর। অভিযুক্ত চীফ জুডিশিয়াল আদালতে চৈতা রায় কোন প্রমানাদি না থাকার পরেও মোটা অংকের টাকার একটি ভুয়া প্রতারনার মামলা করেন জিতেন্দ্র নাথ ও ভবেশ রায়ের বিরুদ্ধে।

গত ২৫ সালের ২ জানুয়ারী তারিখে মামলাটি দায়ের করছেন। যার নম্বর ১৯/২৫।২০২৬ ইং
মামলাটি সিআইডি ও ডিবি সরজমিনে তদন্ত করেন। তদন্ত করার পর দুটি গোয়েন্দা সংস্থা হাতে মিথ্যা প্রমান পায়। তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেন চৈতা রায় একজন মামলা বাজ ও প্রতারক।
জিতেন্দ্র নাথ জানান, চৈতা রায় মূলত ভাটার ৫০ ভাগ মালিকানা হতে দূরে রাখার জন্যই এ মামলাটি করেন। চৈতা রায় তার ৫০ ভাগ অংশ ২৩ সালের ৩০ জুলাই মনোরজ্জন ও দক্ষিণা রঞ্জনের কাছে বিক্রি করে দিয়ে ইট ভাটা থেকে নিঃশর্তবান হয়ে যান। ভাটা থেকে নিঃশর্তবান হয়ে যাওয়ার পরেও চৈতা রায় প্রতারনা করে আবার জিতেন্দ্র নাথ রায়ের ৫০ ভাগ অংশ মনোরঞ্জন রায় ও শান্তনা রায়ের কাছে ২৪ সালের ১ নভেম্বর বিক্রি করেন। যদিও মনোরঞ্জন রায় গং জানেন জিতেন্দ্র নাথ ভাটার ৫০ ভাগ মালিক। মনোরঞ্জন রায় ও তার স্ত্রী শান্তনা রানী রায়ের কাছে লাঞ্চনার শিকার হন জিতেন্দ্র নাথ রায় ও ভবেশ রায় । পরে ভবেশ রায় বাদী হয়ে মনোরঞ্জন রায়, শান্তনা রানী ও চৈতা রায়ের বিরুদ্ধে ৫০ ভাগ মালিকানা পুঃরুন্ধার করার জন্য যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করেন। যার নস্বর ৬০/২৫।২০২৬ পরে আদালত মামলাটি উভয়পক্ষকে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থিতিবস্থা জারি করেন। পরে মনোরজ্জন রায় গং আদালতের আদেশ অমান্য করে। পরে ভবেশ রায় পুনরায় আদালত অবমাননা করার কারনে তাদের বিরুদ্ধে মিছ ভায়োলেশন মামলা করেন। যার নম্বর ৩/২৬। মামলাটির নিস্পত্তি না হওয়ার জন্য ও আদালতের সময় নষ্ট করার জন্য চৈতা রায় আদালতের সমনও তিনি না নিয়ে ফেরত দেন।
অবশেষে পূর্বের জেসিডি ব্রিকস হতে বর্তমানে যমুনা ব্রিকস পর্যন্ত ইট ভাটা সংক্রান্ত যাবতীয় দায় দায়িত্ব মনোরঞ্জন ও শান্তনা রানী বহন করার শর্তে মালিকানা নিয়ে ভবেশ চন্দ্র রায় ও জিতেন্দ্র নাথ গত ২৩ এপ্রিল এভিডেভিড করে দেন। যার নম্বর ৮৭৯/২৬।
এভিডেভিড করার পরে প্রমান হয় ভাটাটির ৫০ ভাগ মালিক প্রকৃত মালিক ভবেশ রায় ও জিতেন্দ্র নাথ। ইট ভাটাটির পূর্বের নাম ছিল জেসিডি ব্রিকস। মনোরঞ্জন ও শান্তনা রানী কৌশলে পূর্বের নাম পরিবর্তন করে চৈতা রায়ের সহযোগিতায় বর্তমানে নাম রাখেন যমুনা ব্রিকস। এফিডেফিডের মাধ্যমে প্রমান হয় চৈতা রায় চিহ্ন ত প্রতারক।

চৈতা রায় এর আগেও বাকিতে কয়লা নিয়ে আসার পরে টাকা না দেয়ায় দিজেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে চৈতা রায় ও তার ভাই বিরেন্দ্র নাথ রায় নামে যশোহর আদালতে গত ২৫ সালের ১৩ মার্চ মামলা করে। যার নম্বর ১৮৯/২৫। মামলাটি করেন কয়লা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স মা আমেনা এন্টারপ্রাইজের মালিক যশোহর জেলার অভয়নগর থানার নওদাপাড়ার রুহুল আমিন। সে মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। সে মামলাটিতে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি চৈতা রায় ওরফে চৈতারা সরকার ও তার ভাই বিরেন্দ্র নাথ রায়।
চৈতা রায় রায়ের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করার কারনে তার বক্তব্য জানা যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ক্যালেন্ডার

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031