মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : আসন্ন বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাবেকচেয়ারম্যান হাজী মো সবুজ আলমকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর সমর্থকদের দাবি, শিক্ষা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
জানা যায়, হাজী মো সবুজ আলম বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মাটিকাটা চেয়ারম্যান বাড়ী গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৭৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। উনার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হাজী এম,এ জাহের তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও ১৯৯৭ থেকে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত দুই বাবের নির্বাচিত চেয়ারম্যান থাকাকালিন মৃত্যুবরণ করেন,তিনি কয়লা-চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপ এর দীর্ঘদিন সভাপতি,উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, হাজী এম এ জাহের উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। মরহুম হাজী এম,এ জাহের এর চার ছেলে
সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হাজী মো সবুজ আলম। তিনি বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি,ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি,উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক,জেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন। বর্তমান তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য,মাটিকাটা হাফিজিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসার দীর্ঘ ১০ বছর সভাপতি,হাজী এম,এ জাহের উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি,২০০৪ সাল হতে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাসের পরিচালক ছিলেন,সাধেরখলা সাতগাঁও ঈদগাহ মাঠের সভাপতি,হাজী এম,এ জাহের স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি,বড়ছড়া কয়লা-চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ২০১১ সাল হতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি আরো বলেন সুনামগঞ্জ ১ আসনের ৩ বারের সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজির হোসেনের হাত ধরে রাজনীতির যাত্রা শুরু করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি ট্যাকেরঘাট বাজারে ফার্মেসী ব্যবসা করতেন। পরে ১৯৯৯ সালে কয়লা ও চুনাপাথর ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত হন।
তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং একাধিকবার হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাজী মো সবুজ আলমের উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সমতার ভিত্তিতে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।
উল্লেখ্য যে, সবুজ আলমের আপন ছোট ভাই একটি স্বনামধন্য বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত রয়েছেন।
এ বিষয়ে হাজী মো সবুজ আলম বলেন, জনগণ যদি আমাকে পূনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেন, তাহলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সেবার মানোন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করব। সকলের দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করছি।
উল্লেখ্য, আসন্ন বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে এবং স্থানীয় রাজনীতিতে নির্বাচন ঘিরে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।