খাদেমুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক পঞ্চগড় : পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সোনালী আঁশের বাম্পার ফলন হয়েছে।অতীতের সকল লক্ষ মাত্রার চেয়েও বেশি রেকর্ড মাত্রা আবাদ। বাজারে ন্যায্য মূল্যো পেয়ে হাসি ফুটেছে। প্রান্তিক কৃষকের মুখে পাট ফলন চাষ বেশি হয়েছে।
জলের অভাবে পাট জাগ দিতে প্রথমে সমস্যায় পড়েন পাট চাষিরা। পাট জাগ আঁশ ছড়ানোর কাজে ব্যস্ত পাট চাষি কৃষক এখন শেষ পয্যায়ে। বাজার ধর বেশি উৎপাদন ভালো হওয়ায় আগামীতে এ অঞ্চলে পাট চাষ আরো অনেক বাড়বে বলে কৃষি অফিসার শাবরিনা আফরিন এ প্রতিবেদকে জানান।কৃষি সমপ্রসারণ অফিস সুত্র জানায়, ৮শত ৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। অর্জন হয়েছে ৯ শত হেক্টর।
এছাড়াও চলতি মৌসুমে চাষিকে বীজদ ও সার প্রনোদনা দেওয়া হয়।জমিতে হাল চাষ বীজ নিরানি সার বিষ কিটনাশক প্রয়োগ পাট কাটা ও ধোয়া শুকানোসহ অর্থ ব্যয় হয়েছে ২১/২২ হাজার টাকা। প্রতি বিঘাতে পাট আবাদ ১৬ থেকে১৮ মন।প্রতি মন ভালো পাটের বাজার মূলো প্রকার বেদে ৪ হাজার ৫ শত টাকা থেক টাকা ধরে পর্যন্ত বাজারে কেনা বেচা হচ্ছে। এব্যাপারে তিরনই হাট ইউপির খয়খাট পাড়া গ্রামের কৃষক সামসুদ্দন( ৫০) দেড় বিঘা ইউপি সদস্য জব্বার( ৪০)।
৫০ শতক আমিরুল একর জমিতে পাট আবাদ করেছে। এখন পাটের দাম শুনে খুশি এবং তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের রনচন্ডি গ্রামের কৃষক আব্দুল( ৪০) জানান, কৃষি অফিস থেকে প্রান্তিক তৃণমুল চাষিদের সুযোগ সুবিধা কখনও পায়নি। তিরনই হাট ডেমগছ গ্রামে বাসিন্দা মোঃ বেলাল হোসেন, একই গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানান, ৩০ শতক পাট চাষ করেন। তিনি আশা করেন ন্যায্য মুল্যে পাবেন।