শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কুমিল্লায় সাংবাদিক ইউনিয়নের মানববন্ধন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে মাসাসের ফুলেল শুভেচ্ছা শাল্লায় মাদক অভিযানে উদ্ধার ১৮১৮ সালের সীমান্ত পিলার যুবদলকর্মী হীরাকে ফ্যাসিস্টের দোসর’ ট্যাগ ও ইজারাদারকে হুমকি প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন পঞ্চগড়ে ৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী সমিতির মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদান ময়মনসিংহে স্কুল পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন ময়মনসিংহ জেলা মাসিক রাজস্ব সভায় শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ডকে সম্মাননা প্রদান চাঁপাইনবাবগঞ্জে এলজিইডির নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঠিকাদার সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর সহকারীকে নিয়ে প্রধান শিক্ষকের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন 
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন

গোপালগঞ্জের ভেন্নাবাড়ী সম্মিলিত উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি অবাধে চললেও দেখার কেউ নাই

Reporter Name
Update : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ী সম্মিলিত উচ্চ বিদ্যালয়ে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতি চললেও দেখার কেউ নেই।

বিদ্যালয়টিতে গত বৃহস্পতিবার সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, চলতি বছর ষষ্ঠ শ্রেণির ১১৩ জন শিক্ষার্থী রেজিষ্ট্রেশন করলেও তাদের উপবৃত্তির আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। উপরন্তু তাদেরকে একশত টাকা করে দিতে হয়েছে আবেদন ফি বাবদ। প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) নবীন বিশ্বাসকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা। অফিস সহকারী রমেশ রায় সব দায়িত্ব পালন করেছেন। আমার কাছে কোনো তালিকা নেই ষষ্ঠ শ্রেণির উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের।

রমেশ রায় এ দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে বাড়ি চলে যান। অফিস সহকারী রমেশের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক ভুল বলেছেন। উপবৃত্তির কাজ আমি করিনি। ল্যাব অপারেটর ক্লিনটন বিশ্বাস সব কিছু করেছেন। ওই ব্যাপারে আমি আর খোঁজ নেইনি। আমার কাছে ক্লিনটন কোনো তালিকা দেয় নাই। শুনেছি সার্ভার সমস্যার কারণে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি ক্লিনটন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে ক্লিনটন।

বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না দেখে জানা গেছে ল্যাব অপারেটর ক্লিনটন বিশ্বাস বিদ্যালয়ে ছুটি ছাড়াই অনুপস্থিত রয়েছেন। তার মোবাইল নাম্বারে বারবার কল করা হলেও অপর প্রান্ত থেকে কেউ সাড়া দেয় নাই।

এদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নবীন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গাইড বই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, প্রধান শিক্ষক তাদেরকে গাইড বই কিনতে বলেছেন।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন ভাষ্কর বিশ্বাস এবং উত্তম বৈদ্য নামে দুজন শিক্ষক বিধিমালা ভংগ করে বিদ্যালয় কক্ষে প্রাইভেট পড়ান নিয়মিত। শিক্ষার্থী প্রতি তারা ৫০০ টাকা করে নেন। ওই দুইজন শিক্ষক অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ান।

এসব ব্যাপার জেলা শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিনকে মোবাইল ফোনে অবগত করে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে কিনা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন,এসব ব্যাপার দেখেন আমার উপজেলা কর্মকর্তা সেলিম তালুকদার। আমি তার সাথে আলাপ করে দেখি কি করা যায়। আপনারাও তার সাথে কথা বলেন।

পরে সদর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম তালুকদারের মোবাইল ফোনে কল করা হলে অপর প্রান্ত থেকে তিনি সাড়া দেননি।

সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যালয়গুলিতে গাইড বই চালাতে পারলে মোটা অংকের সেলামী পাওয়া যায়। অন্যান্য অনিয়ম ও দুর্নীতি অবাধে চলতে দিলেই কর্মকর্তারা নিয়মিত সেলামি পেয়ে থাকেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ক্যালেন্ডার

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930