মো, সোহরাব আলী, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘি থেকে মানিক হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় তার পকেট থেকে দুটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। সেখানে তার মৃত্যুর জন্য দায়ী করে কয়েকজনের নাম লিখা রয়েছে। জানা গেছে আজ বুধবার ১৫ জুলাই সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের মহারাজার দিঘি থেকে ওই কিশোরের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত মানিক পঞ্চগড় সদরের মাগুরা ইউনিয়নের মালাদাম এলাকার রইস উদ্দীনের ছেলে। মানিক পেশায় হোটেল শ্রমিক ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, দিঘির পানিতে মরদেহটি ভাসমান ছিল। কয়েকজন তা দেখে ইউনিয়ন পরিষদসহ পুলিশে খবর দেয়। তবে প্রথম দিকে মরদেহের পরিচয় পাওয়া যাচ্ছিলো না। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে এবং পকেট থেকে পাওয়া চিরকুট পড়ে পরিচয় বের করা হয়। চিরকুটে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে হত্যার দায়ী বলে নিজের এলাকার নাম কয়েকজনের নাম লেখা ছিল।
মৃত মানিকের মামা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সোমবার ১৩ জুলাই বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয় মানিক এরপর অনেক রাত হলেও বাড়ি ফেরেনি। এখন তার মরদেহ পাওয়া গেল পুকুরে ভাসমান অবস্থায়।
পরিবারের বরাত দিয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘সোমবার বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে বের হয় মানিক। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের পক্ষ থেকেও থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। বুধবার সকালে তার মরদেহ ভাসমান অবস্থায় স্থানীয়রা দেখলে মহারাজার দিঘি থেকে পরে উদ্ধার করা হয়।’
চিরকুট পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি আরও জানান, মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি। আলামত সংগ্রহসহ ঘটনা এবং চিরকুটের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর মূল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান ।