ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শান্তিগঞ্জে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের ৩৫ সদস্যের কমিটিতে জিয়াউর সভাপতি রেদুয়ান সম্পাদক সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্র কলারোয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে কলারোয়ায় মতবিনিময় সভা আমতলী থেকে উদ্ধার ১৪ পদ্মপোখরা সাপ কুয়াকাটার বনে অবমুক্ত শ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিন সাতক্ষীরায় যুব নেতৃত্বে অধিকার ও জলবায়ু সহনশীলতায় ‘এনগেজ’ প্রকল্প পরিচিতি সভা সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জ মাদক নির্মূলে প্রয়োজন সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস : এসএম জিলানী গোপালগঞ্জে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার 

তেঁতুলিয়ায় শিক্ষিকার কম্পিউটার সনদ জাল প্রমাণিত : বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:৩১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘ সাড়ে ২২ বছর চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) ওই শিক্ষিকার বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি কোষাগার থেকে উত্তোলিত ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা আদায়যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর অভিযুক্তদের এমপিও বাতিল, নিয়োগ বাতিল এবং সরকারি অর্থ পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশনা দিয়ে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।

এর ধারাবাহিকতায় নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মোছা. ফাতেমা জান্নাহর বিরুদ্ধে সম্প্রতি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফাতেমা জান্নাহ কর্তৃক দাখিলকৃত কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদটি জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ডিআইএর পরিচালক অধ্যাপক এম. এম. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত জাল ও ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালে জাল বা ভূয়া সনদধারীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া পর্যন্ত তিনি সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা হিসেবে মোট ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা উত্তোলন করেছেন। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী, এ অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।

এ বিষয়ে নওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ফাতেমা জান্নাহর স্বামী ও একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কম্পিউটার সনদ নিয়ে আপত্তি ওঠার পর একাধিকবার শোকজ করা হয়েছিল। তিনি জানান, দুই দফা শোকজের জবাব দেওয়ার পর পুনরায় শোকজ করা হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবারও জবাব দাখিল করা হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (ডিজি অফিস) এবং বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) থেকেও পৃথকভাবে শোকজ করা হয়েছিল। কম্পিউটার সনদের বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, সনদটি সঠিক রয়েছে। অডিটর এক লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। টাকা না দেয়ায় তিনি এমন প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে আমাদের ধারণা।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অডিট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে সনদটি জাল বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :