শিরোনাম :
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন বিধিমালা কার্যক্রম বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা ভোলায় চাঁদাজির মামলায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কারাগারে হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্মারকলিপি ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বলরামপুরের মাহমুদুল হাছান মাভাবিপ্রবিতে ‘স্বাধীনতা’ প্রকল্পের ডিজিটাল সুরক্ষা ও মানবাধিকার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হাটহাজারীতে ‘সেভ দ্য হিউম্যানিটি বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ কুমিল্লা নগরীতে অবৈধ দখল ও যানজটের বিরুদ্ধে অভিযানে ২ জনকে জরিমানা  মাভাবিপ্রবিতে মনিরের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত “অটো-মিশুক-রিক্সার ফি দিতে আর লাইনে নয়, কুসিকে চালু হচ্ছে অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা”
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন

২ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বলরামপুরের মাহমুদুল হাছান

Reporter Name
Update : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : নেত্রকোনার চল্লিশা বাইপাস এলাকায় ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের মাহমুদুল হাছান (৩৮) গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকাজুড়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলেও এবারই প্রথম বড় পরিমাণ ইয়াবাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) সূত্র জানায়, গত ২৫ জুলাই ২০২৬ বিকেলে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়কের চল্লিশা বাইপাস এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তল্লাশিকালে মাহমুদুল হাছানের বহন করা একটি কালো-সাদা সিনথেটিক ব্যাগ থেকে জিপারযুক্ত চারটি পলিপ্যাকেটে থাকা মোট ২ হাজার পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে নেত্রকোনা মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মাহমুদুল হাছান সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের মৃত আমির উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার দাবি, মাহমুদুল হাছানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ ছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় ইয়াবার বিস্তারে তার নাম প্রায়ই আলোচনায় এসেছে এবং এ কারণে অনেক তরুণ মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং আদালতে এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়নি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থেকে থাকে, তাহলে এতদিন কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি? তার সঙ্গে আর কারা জড়িত, মাদকের উৎস কোথায় এবং সরবরাহ চক্রে আর কারা রয়েছে—এসব বিষয় এখন তদন্তে উঠে আসবে বলে আশা করছেন সচেতন মহল।

মাদকবিরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতার পাশাপাশি স্থানীয়দের দাবি, পুরো মাদক নেটওয়ার্ক শনাক্ত করে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হলে তবেই এ ধরনের অপরাধ কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ক্যালেন্ডার

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930