ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পঞ্চগড়ে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পাসপোর্ট হারিয়ে দিশেহারা তিন ভারতীয় নাগরিক কলাপাড়ায় বিনা পারিশ্রমিকে স্বেচ্ছায় সড়ক ও ড্রেন পরিচ্ছন্নতা আন্ধারমানিক সেতু পরিচ্ছন্নতা অভিযানে কৃষকরা তেলের পরিমাপ কারচুপি ও মজুত প্রতিরোধে জয়পুরহাটে অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান গোপালগঞ্জ ক্রেডিট ইউনিয়নের কোটি টাকা নিয়ে কর্মচারী উধাও গোবিপ্রবিতে আন্তঃবিভাগ ভলিবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ শুরু গোপালগঞ্জে পৃথক তিন সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১ ইসলামী ব্যাংকের সংকট নিরসন ও পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনের দাবিতে জয়পুরহাটে সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশষ কুবিতে অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মৌন মিছিল সুলতানপুর ৬০ বিজিবির অভিযানে ৬০ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ

পঞ্চগড়ে পান চাষে ৭ শত সফল পান চাষি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:১৮ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাদেমুল ইসলাম, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের ৫ থেকে ৭’শ পান বরজ চাষি।

লোকসানের বোঝা টানলেও এখন পান চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন।

পান চাষিদের পাশাপাশি বদলে গেছে এলাকার আর্থ সামাজিক চিত্রও। সপ্তাহে দুদিনের হাটে বিক্রি হয় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার পান। যা জেলার চাহিদা মিটিয়ে যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

এ সময় যে জমিতে নানা ফসল চাষ করে দিনের পর দিন গুনতে হয়েছে লোকসান সেই জমিতেই পান চাষ করে আয় করা সম্ভব হচ্ছে লাখ টাকা। আর এতে পঞ্চগড়ে বাড়ছে পান চাষ । পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা পাহাড়বাড়ি ও নালাগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে চাষাবাদ হচ্ছে পানের। ৫ থেকে ৭’শ কৃষক নিজেদের ভাগ্য বদলের হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন এই অর্থকরি ফসল।

পান চাষিদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আগে এখানে পানচাষি ছিলোই না। কিন্তু একজনের দেখাদেখি আরেকজন লাভবান হয় বলে এখন ৮০ ভাগ লোকেরই পানের বাগান আছে।’

চাষিরা জানান, প্রতি বিঘা জমিতে পানের বরজ করতে খরচ হয় সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। আর বছরে প্রতি বিঘা জমি থেকে পান বিক্রি করে মুনাফা আসে ন্যুনতম ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। ভরা মৌসুমে প্রতি সপ্তাহে বিঘায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পান বিক্রি করা যায়। তবে পান চাষে নিবিড় পরিচর্যা ও দারুন পরিশ্রম করতে হয় চাষিদের। আর একবার বরজ করলে সেখান থেকে ২০ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত পান সংগ্রহ করা যায়।

হাটে একবিঘা জমি থেকে আমরা ২০-৩০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারে। মাসে কারো ৫০-৬০ হাজারের মতো ইনকাম হয় বলেও জানান আরেক চাষি।

পান চাষ করে নিজেদের ভাগ্য বদলের পাশাপাশি এলাকার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছেন চাষিরা।পরিবারগুলোতে এসেছে স্বচ্ছলতা।

সপ্তহের মঙ্গল ও শুক্রবার হাড়িভাসায় হাট বসে পানের। তাই আগে থেকেই পান তুলে গণণা করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেন চাষিরা। ৬৪ টি পানে এক বিড়া হয়। প্রতি বিড়া পান আকার অনুযায়ী ৩০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। দূরের ব্যবসায়ীরা এসে পান কিনে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, শঠিবাড়ি ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেন। ঝাঝালো সাদের এই পানের চাহিদা রয়েছে বেশ।

ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘সকাল ৮টার মধ্যেই পানের বাজার শেষ হয়ে যায়। তবে জায়গার সংকুলানের কারণে আমাদের কৃষকদের সমস্যা হয়।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলায় পানের গড় ফলন হেক্টরে ৩ মেট্রিক টন।

পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপপরিচালক আব্দুল মতিন বলেন, ‘গতবার জেলায় মোট ১৪ হেক্টর জমিতে পান চাষ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :