ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের নিখোঁজ ১৩ বছরের ছেলের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার পঞ্চগড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা যুবদলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান খুলনায় ভাত চুরির অভিযোগে শিক্ষার্থীকে পিটিয়ের হত্যার অভিযোগ  ঈশ্বরগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাসের কারাদণ্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন-পৌরসভার বিশেষ অভিযান চরফ্যাশন উপজেলা সমিতির জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা শিবগঞ্জে মশক নিধন দিবসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ চিকিৎসাবিহীন আর কত প্রাণ ঝরলে শেষ হবে নির্মাণকাজ  দিরাইয়ে বিভ্রান্তিকর ভিডিও বানিয়ে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ : দুই ইউটিউবারের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত আবেদন চোরাচালানের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে বিশ্বম্ভরপুর চালবন চেকপোস্ট

জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে দিরাই-শাল্লা : বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:৪০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তৌফিকুর রহমান তাহের, বিশেষ প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লা উপজেলার বিভিন্ন স্থানীয় বাজারে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে অবাধে বিক্রি হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ পানীয়, কোমল পানীয় এবং প্রসাধনী সামগ্রী। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে এসব ক্ষতিকর পণ্য বাজারজাত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, দোকানগুলোতে সাজিয়ে রাখা অনেক নামি-দামি ব্র্যান্ডের কোমল পানীয় এবং এনার্জি ড্রিংকসের মেয়াদের তারিখ পার হয়ে গেছে অনেক আগেই। বিশেষ করে প্রসাধনী সামগ্রীর ক্ষেত্রে চিত্রটি আরও ভয়াবহ। মানহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ কসমেটিকস ব্যবহারের ফলে সাধারণ মানুষ চর্মরোগসহ নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক কসমেটিকস ও ভ্যারাইটিজ স্টোরের মালিক এই অসাধু চক্রের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমাদের সরাসরি কোনো দোষ নেই। ভৈরব থেকে একটি নির্দিষ্ট সিস্টেমের মাধ্যমে এই পণ্যগুলো আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অনেক সময় আমরা না চাইলেও বাকিতে বা কম মূল্যের প্রলোভন দেখিয়ে এসব মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য আমাদের দোকানে গছিয়ে দেয়া হয়।”

হাওরপাড়ের সাধারণ জনগণের দাবি, এই অসাধু সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষের সরলতাকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ পণ্যের গায়ে লেখা মেয়াদের তারিখ যাচাই করতে না পারার সুযোগ নিচ্ছে এই ব্যবসায়ীরা।

এই পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন হাওরপাড়ের বাসিন্দারা। নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং দোষী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তারা প্রশাসনের প্রতি জোর অনুরোধ জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :