ঢাকা ১২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পঞ্চগড়ে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পাসপোর্ট হারিয়ে দিশেহারা তিন ভারতীয় নাগরিক কলাপাড়ায় বিনা পারিশ্রমিকে স্বেচ্ছায় সড়ক ও ড্রেন পরিচ্ছন্নতা আন্ধারমানিক সেতু পরিচ্ছন্নতা অভিযানে কৃষকরা তেলের পরিমাপ কারচুপি ও মজুত প্রতিরোধে জয়পুরহাটে অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান গোপালগঞ্জ ক্রেডিট ইউনিয়নের কোটি টাকা নিয়ে কর্মচারী উধাও গোবিপ্রবিতে আন্তঃবিভাগ ভলিবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ শুরু গোপালগঞ্জে পৃথক তিন সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১ ইসলামী ব্যাংকের সংকট নিরসন ও পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনের দাবিতে জয়পুরহাটে সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশষ কুবিতে অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মৌন মিছিল সুলতানপুর ৬০ বিজিবির অভিযানে ৬০ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ

তনু হত্যা মামলায় ডিএনএ পরীক্ষায় আরও ১ পুরুষের নমুনা শনাক্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:০৯ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ ইয়াছিন মিয়া, কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে নতুন ও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

রবিবার ১৭ মে রাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই সদর দফতরের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত তনুর পোশাক থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় এবার চারজন পুরুষের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনজনের শুক্রাণু এবং আরও একজনের রক্তের নমুনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তিনি জানান, সিআইডিকে পাঠানো এক চিঠির জবাবে প্রায় এক মাস আগে জানানো হয়, তনুর পোশাকে পাওয়া নমুনায় তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর পাশাপাশি আরও একজনের রক্তের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং সন্দেহভাজনদের আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরদিন সকালে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজ সংলগ্ন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত প্রথমে পুলিশ, পরে ডিবি ও সিআইডির হাতে গেলেও দীর্ঘদিন দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। পরে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলাটি পিবিআই সদর দফতরে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছেন পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম, যিনি ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর এই মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এদিকে, গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করে পিবিআই। পরদিন আদালতের মাধ্যমে তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বর্তমানে তিনি কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

পিবিআই সূত্র জানায়, সন্দেহভাজন হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে তনুর পোশাকে পাওয়া আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে রোববার পর্যন্ত সেই পরীক্ষার ফল পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :