ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের নিখোঁজ ১৩ বছরের ছেলের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার পঞ্চগড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা যুবদলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান খুলনায় ভাত চুরির অভিযোগে শিক্ষার্থীকে পিটিয়ের হত্যার অভিযোগ  ঈশ্বরগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাসের কারাদণ্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন-পৌরসভার বিশেষ অভিযান চরফ্যাশন উপজেলা সমিতির জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা শিবগঞ্জে মশক নিধন দিবসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ চিকিৎসাবিহীন আর কত প্রাণ ঝরলে শেষ হবে নির্মাণকাজ  দিরাইয়ে বিভ্রান্তিকর ভিডিও বানিয়ে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ : দুই ইউটিউবারের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত আবেদন চোরাচালানের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে বিশ্বম্ভরপুর চালবন চেকপোস্ট

রোগীর স্বজন ক্লিনিকের বাইরে থেকে ওষুধপত্র কেনায় মালিকের বিরুদ্ধে নার্সকে মারধরের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২১:৫৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে স্কয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ও পরিচালক শহিদুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে সেখানে কর্মরত এক নার্সকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার ২৩ আগস্ট দুপুর দেড়টার দিকে ক্লিনিকের রিসিপশন ফ্লোরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নার্স কলি রায়।

কলি রায় জানান, তিনি গত ২০ জুলাই দেবীগঞ্জ স্কয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নার্স হিসেবে যোগদান করেন। রবিবার সকালে কুলসুম নামে এক নারী ক্লিনিকে ভর্তি হন। দুপুর ১২টার দিকে তার সিজারিয়ান অপারেশন হয়। অপারেশনের পর নবজাতকের জন্য ডায়াপার ও কে-ওয়ান ইনজেকশন, প্রসূতির জন্য বেল্ট, ব্যথানাশক ভলটালিন ইনজেকশন ও ন্যাপকিনের প্রয়োজন হয়। এ সব সামগ্রীকে ক্লিনিকে ‘প্যাকেজ’ নামে ডাকা হয়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এ সব সামগ্রী ক্লিনিকের বাইরে ফার্মেসি থেকে তুলনামূলক কম দামে কেনার সুযোগ থাকলেও রোগীর স্বজনদের ক্লিনিক থেকেই সেগুলো কেনার জন্য নার্সদের ওপর চাপ দেয়া হয়।

কলি রায় অভিযোগ করেন, রবিবার কুলসুমের স্বজনেরা প্রয়োজনীয় এ সব সামগ্রী বাইরে থেকে কিনে আনেন। এতে ক্ষুব্ধ হন ক্লিনিক পরিচালক শহিদুল ইসলাম বাবুল। রোগীর স্বজনেরা কেন বাইরে থেকে ‘প্যাকেজ’ কিনেছেন, এ নিয়ে তিনি তার সঙ্গে রাগারাগি করেন। এ সময় বাবুলের ছোট মেয়ে স্নেহাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনিও তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন কলি।

কলি রায় বলেন, একপর্যায়ে ক্লিনিক পরিচালক বাবুল তার মাথায় হাত দিয়ে আঘাত করেন। পরে তিনি ক্লিনিকের দ্বিতীয় তলায় গেলে সেখানে বাবুলের মেয়ে ও চিকিৎসক ডা. শিখা মনি তার সঙ্গে রাগান্বিত হয়ে কথা বলেন। এ সময় তাকে পরদিন থেকে ক্লিনিকে না আসতেও বলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। প্রতিউত্তরে কলি তার পাওনা বেতন পরিশোধ করে দিলে চাকরি ছেড়ে দেবেন বলে জানান।

এ বিষয়ে ক্লিনিকের মালিক ও পরিচালক শহিদুল ইসলাম বাবুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই সব অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করেন।

এ বিষয়ে পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান ভুক্তভোগী নার্সকে আইনের সহায়তা নেয়ার জন্য পরামর্শ দেন। তবে ক্লিনিকের সুষ্ঠু কর্ম পরিবেশ নিশ্চিতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কোন দায়িত্ব আছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি জবাব দেননি।

উল্লেখ্য, এর আগেও ক্লিনিকটির মালিক শহিদুল ইসলাম বাবুল ও তার মেয়ে ডা. শিখা মনির রূঢ় আচরণের কারণে যোগদানের অল্প সময়ের মধ্যে কয়েকজন নার্স চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :