রাজিবপুরে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনে নদীগর্ভে ১৬ বসতঘর ও ১০ একর আবাদি জমি!
- আপডেট সময় : ১০:৩৯:৪০ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
আতাউর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুরে ব্রহ্মপুত্র নদে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। গত দুই দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ১৬টি বসতঘর ও প্রায় ১০ একর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে ভিটেমাটি হারিয়ে অনেক পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুর রহমান জানান, কয়েক দিন ধরে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়তে শুরু করায় কোদাল কাটি ইউনিয়নের উত্তর কোদালকাটি ও পাইকেনটারী পাড়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই নদীর পেটে চলে যাচ্ছে বসতভিটা, আবাদি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা।
ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে কোদাল কাটি মন্ডল পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আনসার ডিলার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ব্যাপারী পাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসাসহ অসংখ্য বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ভাঙন অব্যাহত থাকলে এসব প্রতিষ্ঠানসহ আরও অনেক বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ভিটেমাটি হারানো মোতালেব, জাইদুল ইসলাম,স্বামী পরিত্যক্তা হাজেরা,বিধবা সালেহা, আব্দল্লাহ,হাছেন আলী, এরশাদুল ও জাকির হোসেন বলেন, “নদীভাঙনে আমাদের ঘরবাড়ি ও জমিজমা চলে গেছে। এখন কোথায় গিয়ে থাকব, কীভাবে সংসার চালাব—তা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।”
কোদাল কাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছফের আলী জানান,ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও অনেক পরিবার ভিটেমাটি হারাতে পারে। তিনি নদীতীর সংরক্ষণে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা।
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন,উজানে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্রক্ষপুত্র নদে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। নদী ভাঙ্গন রোধে প্রজেক্ট রয়েছে। এখনও পাস হয়নি।তবে সরে জমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।




















