মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি : শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও আবাসন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক উদ্যোগ নিয়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পর দ্বিতীয় গেটসংলগ্ন খাবারের দোকান পরিদর্শনের পাশাপাশি নবীনসহ সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় মেস মালিকদের সঙ্গে জরুরি সভা করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. নান্নুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় গেট এলাকার বিভিন্ন খাবারের দোকান পরিদর্শন করেন প্রক্টর। সম্প্রতি একটি দোকানে নিম্নমানের ও পচা খাবার পরিবেশনের অভিযোগ ওঠার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়।
পরিদর্শনের সময় প্রক্টর দোকান মালিকদের খাবারের মান ভালো রাখা, দোকান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো দোকানে নিম্নমানের বা পচা খাবার বিক্রির অভিযোগ বা প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একই দিনে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আগমন উপলক্ষে স্থানীয় মেস মালিকদের সঙ্গে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদের পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন, শৃঙ্খলা, সার্বিক নিরাপত্তা এবং মেস ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় মেস মালিকদের বিভিন্ন সমস্যা, মতামত ও পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে শোনা হয়।
সভায় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। নবীনসহ সকল শিক্ষার্থীর জন্য নিরাপদ আবাসন, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং সুশৃঙ্খল ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে প্রশাসন সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। এ কাজে স্থানীয় মেস মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ উদ্যোগকে শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।