গর্তে গর্তে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, কুমিল্লার আমতলীতে ২০ কিলোমিটার যানজট
- আপডেট সময় : ০৯:১৩:১৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
মোঃ ইয়াছিন মিয়া, কুমিল্লা প্রতিনিধি : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার আমতলী অংশে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। কখনো ১০, আবার কখনো ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছাড়িয়ে যাচ্ছে যানজটের দৈর্ঘ্য। গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই ভোগান্তি এখনো কমেনি। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রী, পরিবহন শ্রমিক ও চালকরা।
মহাসড়কের এই অংশে সড়কের গতি কমে যাওয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হচ্ছে যানবাহনকে। জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী যাত্রীদের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকের চালকরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এ সব গর্তে ইট-বালু ফেলে চলছে অস্থায়ী সংস্কার। এতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় কোটি টাকা। তবে এই সংস্কার কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কারণ, সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে এবং যানবাহনের চাপের কারণে সরে যাচ্ছে ইট-বালু। ফলে কিছুদিনের মধ্যেই আবারও দৃশ্যমান হচ্ছে পুরনো গর্ত। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে বাস, ট্রাকসহ ছোট-বড় সব ধরনের যানবাহনকে।
চালক ও যাত্রীদের প্রশ্ন, প্রতিবছর একই স্থানে কেন তৈরি হচ্ছে এমন গর্ত? অস্থায়ী সংস্কারের মাধ্যমে আর কতদিন চলবে দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়ক?
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে সাময়িক মেরামতের কাজ চলছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হলে নেওয়া হবে স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, আপাতত যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা হচ্ছে। বৃষ্টি শেষ হলে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার এই গুরুত্বপূর্ণ অংশে দ্রুত স্থায়ী সংস্কার চান চালক ও যাত্রীরা। এখন দেখার বিষয়, বর্ষা শেষে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রতিশ্রুত স্থায়ী সংস্কার কত দ্রুত বাস্তবায়ন হয়।




















