শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ঐতিহাসিক বাসভবন রক্ষার দাবিতে এনসিপির স্মারকলিপি
- আপডেট সময় : ০৯:০১:৫১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা প্রতিনিধি : ভাষা আন্দোলনের অন্যতম অগ্রপথিক, ১৯৫২ সালের রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবির প্রথম প্রস্তাবক এবং শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্মৃতিবিজড়িত কুমিল্লার ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান ও প্রেস ব্রিফিং করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কুমিল্লা মহানগর শাখা।
আজ ৮ নভেম্বর রবিবার ঐতিহাসিক এই বাসভবন সংরক্ষণ, কথিত অবৈধ খতিয়ান বাতিল এবং বাসভবন বিক্রির চক্রান্ত বন্ধের দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির কুমিল্লা মহানগর শাখার উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক জরুরি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নেতৃবৃন্দ শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ঐতিহাসিক অবদান ও স্মৃতিবিজড়িত বাসভবনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, জাতীয় ইতিহাস ও ভাষা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে এই বাসভবন যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ঐতিহাসিক স্থাপনাটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম, সদস্য সচিব মাছুমুল বারী কাউছার, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব প্রকৌশলী কাজী মো. জায়েদ, যুগ্ম সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক তানভীর, সদস্য সচিব শাহ পরান জুয়েল, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক সম্পাদক ইমরাত জাহান এনি।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক মোস্তফা জিয়ান, সদস্য সচিব মাহবুব, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম, এনসিপি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুস সামাদ ও কেন্দ্রীয় ওলামা উইংয়ের যুগ্ম আহ্বায়ক ইফতেখারুল ইসলাম।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টি, জাতীয় নারী শক্তি, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
নেতারা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক বাসভবন রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।
তারা বলেন, এই ঐতিহাসিক সম্পদ সংরক্ষণ করা শুধু একটি স্থাপনা রক্ষা নয়, বরং দেশের ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায়কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।



















