সাতক্ষীরাতে গ্লোবাল অ্যাকশন উইক উপলক্ষ্যে নাগরিক সম্মিলন অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৯:০৬:৫৯ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরাতে গ্লোবাল অ্যাকশন উইক উপলক্ষ্যে নাগরিক সম্মিলন অনুষ্ঠিত। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, টেকসই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আঞ্চলিক বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে। দারিদ্র্য ও বৈষম্য নিরসনে সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন এবং পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র চার বছর বাকি থাকলেও, এখন পর্যন্ত নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১৯ শতাংশ সঠিক পথে রয়েছে। এ সংকট নিরসনে এসডিজি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং উপকুলের পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়ন পরিকল্পনার মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। ‘গ্লোবাল অ্যাকশন উইক’ উপলক্ষ্যে বৃহষ্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরী হলরুমে জিক্যাপ (GCAP), এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ, এনআরডিএস এবং স্বদেশ -এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক নাগরিক সম্মিলনে এ দাবি তুলে ধরা হয়।
স্বদেশ সংস্থার -এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ জনসম্মিলনে ধারনাপত্র পাঠ করেন সিডো নির্বাহি পরিচালক শ্যামল বিশ্বাস। অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ আঃ হামিদ, শিক্ষাবিদ কিশোরী মোহন সরকার,জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব এড, আবুল কালাম আজাদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফ্ফান রোজ বাবু, নাগারিক নেতা আলীনুর খান বাবুল, উন্নয়ন কর্মি শাকিবুর রহমান বাবলা, যুব প্রতিনিধি ইমতে জামিল, বায়াজিদ গহাসেন, কিশোরী প্রতিনিধি নুরজাহান ময়না, ইদিচী আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান, নাগরিক প্রতিনিধি পবিত্রমোহন দাস,সাংবাদিক প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান সরদার,আমিনা বিলকিস ময়না ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
সম্মিলনে বক্তারা স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা ও বৈষম্যের ক্ষেত্রে দেশজুড়ে যে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, উপকুল অঞ্চলে তা আরও প্রকট। বলে মত প্রকাশ করেন। এসডিজি অর্জনে আগামী চার বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখন শুধু পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবায়নের দিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
আলোচকরা এসডিজি বাস্তবায়নে অর্থনৈতিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা এবং হত দরিদ্র্র, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে কোন লক্ষ্য কতটা অর্জিত হয়েছে এবং কোথায় ঘাটতি রয়েছে—তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার আহ্বান জানান।



















