একাত্তরে রাজাকার নব্বইয়ের স্বৈরাচার ও চব্বিশে যারা মানুষের সঙ্গে মুনাফেকি করেছে স্বার্থের প্রয়োজনে তারা এক হতে পারে : ফরহাদ হোসেন আজাদ
- আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৫১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড় দুই আসনের সাংসদ ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, একাত্তরে যারা রাজাকার ছিল, নব্বইয়ে যারা স্বৈরাচার ছিল এবং চব্বিশে যারা বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বেইমানি করে মুনাফেকি করেছে, স্বার্থের প্রয়োজনে তারা এক হতে পারে।
শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে পঞ্চগড় জেলা বিএনপির আয়োজনে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় নির্বাচন আসছে। অনেকে হয়তো বিভিন্নভাবে ভোটে জয়যুক্ত হওয়ার জন্য ফ্যাসিস্টের সঙ্গে আঁতাত করতে চেষ্টা করছেন। ওই ফ্যাসিস্টরা যেন আমাদের ভোটে অন্তর্ভুক্ত হতে না পারে, এইজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, আমরা যদি দলের কার্যক্রমকে, সরকারের কার্যক্রমকে মাঠে ঘাটে, হাটে বাজারে প্রচার করতে পারি, আমার বিশ্বাস ওই গুপ্ত সুপ্তরা ঐক্য হয়ে আমাদের কোনো কিছুই করতে পারবে না।
তিনি বলেন, আমরা কয়েকদিন আগে এক দলের নেতার বক্তব্যে একটি জিনিস পরিষ্কার হয়েছি যে কারা এই বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। যেখানে সন্ত্রাস, যেখানে অগ্নিসংযোগ, যেখানে ককটেল, যেখানে বোমা, যেখানে ওই ফ্যাসিস্ট, সেইখানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের প্রতিহত করতেই হবে।
তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং চব্বিশের ছাত্র জনতা আন্দোলন, জুলাই অভ্যুত্থান প্রত্যেকটা আন্দোলনেই কিন্তু জিয়া পরিবার, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের অবদান অনস্বীকার্য এবং সেটা পরীক্ষিত।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা ম্যাক্সিমাম নেতাকর্মী আছেন, মামলা খাইছেন, জেলে গেছেন, তাই না? এখন যদিও অনেক জায়গায় হাইব্রিডরা চলে আসার চেষ্টা করছে, কিন্তু আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেসেজ ক্লিয়ার, যারা বিগত দিনে আন্দোলন, সংগ্রাম, মিছিল, মিটিং, আন্দোলন সংগ্রামে জেল জুলুমের স্বীকার হয়েছেন, আমরা তাদেরকে প্রিভিলেজ দিয়ে, তাদেরকে সামনে রেখে দলের কাজ করবো।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এ সময় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এম এ মজিদসহ দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



















