স্বত্ব মামলা আপোষ না করায় গাছ কেটে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১২:০২:৩৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের হবিপুর গ্রামে জায়গা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে প্রবাসীর বসত বাড়ির রোপনকৃত বাগানের ৫/৬ টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রাতের আধারে কে বা কারা কর্তনের ঘটনায় অত্র এলাকার নিরপরাধ ব্যক্তিদের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে প্রবাসী মাসুক মিয়া ও তার ছেলে জাবেদ মিয়ার বিরুদ্ধে।
জানা যায়, মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হবিপুর গ্রামে এক প্রবাসীর বাড়ির আঙিনায় লাগানো ৫/৬ টি ফলজ চারা গাছ রাতের আঁধারে কে বা কারা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আঞ্জব আলীসহ অজ্ঞাতনামা ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
বৃহপতিবার ২২ অক্টোবর বিকেলে এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রবাসী মাসুক মিয়ার জাবেদ মিয়া। তারা হলেন কৃষক আমীর আলী,ব্যাংক কর্মচারী সুনাই মিয়া ও মোস্তাকিন আলী।
বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রবাসী মাসুক মিয়ার বাড়ির চারপাশে বিভিন্ন ফলজ গাছ লাগানো রয়েছে। তবে বাড়ির সামনের রাস্তা-সংলগ্ন আঙিনায় লাগানো ৫/৬ টি ফলজ চারা গাছ কাটা অবস্থায় পড়ে আছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য জাবেদ মিয়া বলেন, বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে অভিযুক্তদের তাদের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে রাত দেড়টা পর্যন্ত ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন, বাড়ির আঙিনায় লাগানো চারা গাছগুলো কাটা। পরে প্রতিবেশী আব্দুল জলিলকে ডেকে এনে গাছ কাটার বিষয়টি দেখান।
জাবেদের আপন চাচা সাবেক মেম্বার আঞ্জব আলী বলেন, পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে আমার ভাই মাসুক মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে আমার স্বত্ব মামলা রয়েছে। এরই জের ধরে স্বত্ব মামলা আপোষ করার জন্য তারা নিজেরাই গাছ কেটে আমি সহ এলাকার বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান তিনি।
সাবেক মেম্বার হাবিবুর রহমান বলেন, ঘটনার বিষয়ে দুই পক্ষের কেউ আমাকে জানায়নি। পুলিশ আসার পর জানতে পারি। তবে আঞ্জব আলী মেম্বার এ ধরনের কাজ করতে পারে না। তারা যদি বসতে চায় তাহলে সুষ্ঠু ভাবে আমরা গ্রামবাসী বসে সমাধান করার চেষ্টা করবো।
হবিপুর গ্রামের শালিশী ব্যক্তি রফিক মিয়া,করম আলী ও রাসেল মিয়া বলেন, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে মাসুক মিয়ার সাথে আঞ্জব আলী মেম্বারের আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। তবে এ ধরনের কাজ আঞ্জব আলী মেম্বার করতে পারে না। তিনি গ্রামের একজন সম্মানি ও শালিশী ব্যক্তি।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ পিপিএম বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



















