ইমাম হয়রানি বন্ধের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন, জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি
- আপডেট সময় : ১২:১২:৩০ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের রানীহাটি ঈদগাহ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা এইচ এম আলী হাসান মুজাহিদকে হয়রানি ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখা। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও ইমামের সম্মান সুরক্ষার দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন ইমাম সমিতির নেতৃবৃন্দ। মানববন্ধনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মো. উমর ফারুকের নেতৃত্বে সেক্রেটারি কারী মাওলানা মো. আব্দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ কারী মাওলানা মো. আইয়ুব আলী খানসহ শতাধিক ইমাম ও আলেম অংশ নেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ইমাম সমাজ কোরআন-হাদিসের শিক্ষা প্রচারের মাধ্যমে সমাজের নৈতিক ও মানবিক দুর্বলতা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সম্প্রতি রানীহাটি ঈদগাহ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা এইচ এম আলী হাসান মুজাহিদকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে। ইমাম সমিতির অভিযোগ, জুমার খুতবাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ওই ইমামকে অপদস্ত করা হয়। একপর্যায়ে মসজিদ কমিটির মাধ্যমে জোরপূর্বক তাঁর পদত্যাগপত্র নেওয়া হয়েছে বলেও স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়। সমিতির নেতৃবৃন্দের দাবি, রাজনৈতিক কারণে ‘হক কথা বলার’ জেরে ইমামকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন ইমামকে সত্য ও ন্যায়ের কথা বলার কারণে অপদস্ত, বাধাগ্রস্ত বা আঘাত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ঘটনায় দ্রুত সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আন্দোলন আরও তীব্র করার হুঁশিয়ারি দেন তারা। বক্তারা আরও বলেন, আগামী শুক্রবারের মধ্যে মাওলানা এইচ এম আলী হাসান মুজাহিদকে পুনরায় মসজিদে নামাজ পড়ানোর ব্যবস্থা না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে। তারা ইমামদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ন্যায়নীতি ও আইনের ভিত্তিতে বিষয়টি সমাধানের দাবি জানান।স্মারকলিপিতে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ইমামদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।



















