তাহিরপুর সীমান্তে চোরাচালানের লাইনম্যান’ পরিচয়ে সক্রিয় আব্দুর রফ
- আপডেট সময় : ০৯:৪৮:০৪ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে
মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের বড়ছড়া-ট্যাকেরঘাট নিলাদ্রী লেক, বারেকের টিলা বড়ঘোপ, লাউড়েরগড় শাহিদাবাদ বর্ডার হাট সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে নানা উদ্যোগ থাকলেও থামছে না ভারতীয় অবৈধ পণ্য প্রবেশের অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তের চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে প্রভাবশালী আব্দুর রফ চোরাচালানের গডফাদার হলুদ সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজনের নাম বার বার আলোচনায় আসছে ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দুই লাইনম্যান এর ছত্রছায়ায় বড়ছড়া,চারাগাও,বাগলী, ট্যাকেরঘাট নিলাদ্রী লেক, বারেকের টিলা, লাকমা ছড়া, চানপুর, জঙ্গলবাড়ি, লালঘাট, বালিয়াঘাট, রজনী লাইন, বাঙ্গালভিটা, রাজাই, সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে মাদক, ফেনসিডিল, ইয়াবা, নাসির বিড়ি, চিনি, কয়লা, কসমেটিক, চকলেট ও ভারতীয় গরুসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।এলাকায় তারা দুজন বিজিবির লাইনম্যান হিসেবে পরিচিত এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে আরও কয়েকজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, পুলিশ, বিজিবি, চোরাকারবাড়ী হলুদ সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নাম ভাঙ্গিয়ে ভারতীয় কয়লা, ফুসকা, চিনি, গরু, ইয়াবা, ফেনসিডিল, বিড়ি, এসিব্ল্যাক, অফিসার চয়েস বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস ইত্যাদি পারাপারের ক্ষেত্রে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হয়। সীমান্ত দিয়ে গরু পারাপারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের কাছ থেকেও এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে দাবি তাদের।
অভিযোগ রয়েছে, আব্দুর রফ তার গডফাদার চোরাকারবাড়ি হলুদ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মাদক ও চোরাচালান সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি তাদের বিরুদ্ধে অন্তত এক ডজন মামলা রয়েছে। তবুও থেমে নেই তাদের চোরাচালানি কর্মকাণ্ড। এদিকে বড়ছড়া,বাগলী,ট্যাকেরঘাট,বারেকের টিলা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় চোরাচালানের সময় বিজিবির ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায়ও পরোয়ানা ভূক্ত আসামি হলেও প্রকাশ্যে দিবালোকেও ঘুরছে। যদিও ৫ আগষ্টের আগে রফ বিজ্ঞ আদালতে সেলেন্ডার করলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠায়। যদিও গডফাদার সাংবাদিক সুনামগঞ্জের বাহিরে থাকায় লাইনের নিয়ন্ত্রক এখন রফ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মামলা ও অভিযোগ থাকার পরও সীমান্ত এলাকায় তাদের দাপট কমেনি। বরং দীর্ঘদিন ধরে তারা সীমান্তকেন্দ্রিক একটি শক্তিশালী চক্র গড়ে তুলেছেন। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে মামলা – হামলার ভয়ভীতি দেখানোরও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে লাইনমেন বলেন, আমি সীমান্তে চোরাচালানের সাথে জড়িত নাই। এমনিতেই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ মো ফারুক মিয়া বলেন, যারা ভারতীয় অবৈধ পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশের নামে পুলিশ, বিজিবি, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন মহলের নামে চাঁদা উত্তোলন করছে সত্য হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




















