মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে মধ্যনগরে পুলিশের কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ
- আপডেট সময় : ০৫:৫০:২১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
মধ্যনগর প্রতিনিধি : মাদক, জুয়া ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে যুবসমাজকে দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে থানা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে ‘১ম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় মধ্যনগর থানা মাঠে এ কাবাডি খেলার আয়োজন করা হয়। মধ্যনগর থানা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তরুণ-যুবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
খেলা শুরুর আগে মাঠে উপস্থিত ছিলেন মধ্যনগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও ১ম কমিউনিটি পুলিশিং এর সাধারণ সম্পাদক গোলাম সাইফুল, সদস্য নুরু তালুকদার, চামরদানী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য শহিদুল মিয়া, মধ্যনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই)সহ থানার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময় আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিপুলসংখ্যক দর্শক মাঠে উপস্থিত হয়ে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেন।
কাবাডি খেলায় তরুণ খেলোয়াড়দের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো মাঠ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। খেলোয়াড়দের আক্রমণ ও প্রতিরোধের চমকপ্রদ লড়াই উপভোগ করেন উপস্থিত দর্শকরা। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী এ খেলাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।
মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শাহাবুদ্দিন শাহিন বলেন, “যুবসমাজ একটি দেশের অন্যতম বড় শক্তি। তাদের খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে পারলে মাদক, জুয়া ও অপরাধ থেকে দূরে রাখা সম্ভব। কাবাডি আমাদের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে একদিকে যেমন তরুণদের মাঠমুখী করা যাবে, অন্যদিকে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক ও অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা ও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ। কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে একটি মাদকমুক্ত, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও তরুণদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের ক্রীড়া ও সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয়রা বলেন, থানা প্রশাসনের এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন করা হলে তরুণরা মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতার পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে।




















