আমতলীতে অগ্নিকান্ডে, দুই ব্যবসায়ীর স্বপ্ন পুড়ে ছাই
- আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
বরগুনা প্রতিনিধি : বরগুনার আমতলীতে আগুনে পুড়ে গেছে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আংশিক ক্ষতি হয়েছে আরো এক ব্যসায়ীর। এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
শনিবার ৩১ অক্টোবর আনুমানিক সকাল ৮টার দিকে আমতলী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড সরকারি কলেজের সামনে মার্কেটের এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হলো- মো:খলিলুর রহমানের বাহার লাইব্রেরি, মো: মিলন হাওলাদারের বাবা মায়ের দোয়া গার্মেন্টস।
এছাড়া আংশিক ক্ষতি হয়েছে মো: নুরুল আলমের সুমাইয়া কসমেটিকস।
ব্যবসায়ী মিলন হাওলাদার বলেন, প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। সকালে খবর পায় দোকানে আগুন লেগেছে। এক টাকার মালামালও বের করতে পারিনি। সব পুড়ে শেষ। এনজিও থেকে লোন করে ব্যবসা দাঁড় করেছি। এখন কিভাবে লোন শোধ করব! আমি একদম নিঃস্ব হয়ে গেছি।সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।
বাহার লাইব্রেরির খলিলুর রহমান বলেন,আগুনে পুড়ে সব ছাই হয়ে গেছে।কিছুই রক্ষা করতে পারিনি ১০-১৫ লক্ষ টাকার বই পুড়ে সব শেষ।
প্রত্যক্ষদর্শী চপল চন্দ্র বলেন,ধারনা করা হয় বিদ্যুৎ শর্টসার্কিট অগ্নিকান্ড ঘটে তাই কেউ নেভাতে সাহস করেনি। চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেলো।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও ফায়ারসার্ভিসের টিম এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনের ওয়ার হাউসম্যান মো. মাহবুব হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে আনুমানিক ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক হাসান মো:হাফিজুর রহমান বলেন, সকালে আগুন লাগার বিষয়টি জেনেছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।



















