কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি
- আপডেট সময় : ১১:৫১:৩৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
রাজিবপুর কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এ সব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।
শনিবার ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রামের শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে ২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। নাগেশ্বরী মডেল কলেজ থেকে ১৫ জন, রাজারহাটের সিঙ্গার ডাবরীহাট কলেজ থেকে ১০ জন এবং একই উপজেলার সিঙ্গার ডাবরীর হাট বি. এল. হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেন।
এ ছাড়া নাগেশ্বরীর কুটি পেয়ারা ডাঙা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৫ জন, চিলাখানা মডেল কলেজ থেকে ৪ জন, উলিপুরের হযরত ফাতিমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩ জন, চিলমারীর দক্ষিণ খাওরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২ জন এবং রাজারহাটের পাঙ্গারানী লক্ষ্মীপ্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আট জেলার ৬৬৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে কুড়িগ্রামের ৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এদিকে জেলাজুড়েও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। এ বছর কুড়িগ্রাম থেকে মোট ১১ হাজার ৭২২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৪ হাজার ৭৭৩ জন। জেলায় গড় পাসের হার ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলায় ৫ হাজার ৬৮৩ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অন্যদিকে ৬ হাজার ৩৯ জন ছাত্রীর মধ্যে পাসের হার ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন।
এ বছর পুরো জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৩৬ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ৫৯ জন ছাত্র এবং ৭৭ জন ছাত্রী।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের আট জেলার মধ্যে পাসের হারে কুড়িগ্রামের অবস্থান ষষ্ঠ।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, চরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, শিক্ষক সংকট এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতির মতো বিষয়গুলো ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।











