ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জে জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠান শুরু  গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু সাতক্ষীরা এইচএসসি পরীক্ষায় দুই কলেজে পাস করেনি কেউ সাতক্ষীরা ‎উপকূলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার প্রতি ৩ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ তথ্য সংগ্রহকারী বর্ণা ও তার স্বামী বিদ্যুৎ সরকারের বিরুদ্ধে ‎তালায় নারীর প্রতি সহিংসতা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সংলাপ সভা শাল্লায় দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে মন্নার মিয়ার মৃত্যু, আহত অন্তত ১৫ পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ, শূন্য পাস ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানে শ্রমিকদের সঙ্গে মাঠে সিটি প্রশাসক টিপু বাংলাদেশের রাজনীতিতে যুবদলের ভূমিকা দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বৈষম্যহীন, মানবিক ও অধিকারভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের রাজনৈতিক আন্দোলনের লক্ষ্য : জামায়াত আমির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ : সাত দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনের অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানিতে পথসভা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। শনিবার ৩১ অক্টোবর বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভাটিয়াপাড়া মোড়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে আয়োজিত জোটের লংমার্চের অংশ হিসেবে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে নেতারা সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

পথসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও অধিকারভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই তাদের রাজনৈতিক আন্দোলনের লক্ষ্য। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় গোপালগঞ্জের মানুষের প্রতি ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ও দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানান জামায়াত আমির।

তিনি আরও বলেন, গণভোটে জনগণের দেয়া রায় বাস্তবায়নকে তারা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি হিসেবে দেখছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই দাবি কার্যকর করা হলে জোটের অন্য ছয়টি দাবিও বাস্তবায়নের পথ তৈরি হবে।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, লংমার্চের বহর ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয় পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত হয়ে নেতাদের স্বাগত জানান। সেখানে সমবেত মানুষের উদ্দেশে বক্তব্য দেন জোটের শীর্ষ নেতারা।

এর আগে শনিবার সকাল ৭টায় ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চটি যাত্রা শুরু করে। পথে সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের নাওডোবায় একটি পথসভায় অংশ নেন জোটের নেতারা।

কাশিয়ানিতে কর্মসূচি শেষ করে বহরটি খুলনার দিকে রওনা হয়। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর এবং ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বরে পথসভা করার কথা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে যশোরের মুড়লীর মোড় ও ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালেও জোটের নেতাদের বক্তব্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

লংমার্চের শেষ কর্মসূচি হিসেবে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ আয়োজনের কথা রয়েছে। যাত্রাপথের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বহরকে স্বাগত জানাচ্ছেন। এ সব স্থানেও জোটের নেতাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অভিমুখে প্রথম লংমার্চ আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। গোপালগঞ্জের কর্মসূচিটি সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :