ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতক্ষীরায় মাদকদ্রব্যসহ ইমরান আটক সাতক্ষীরায় উদীচীর ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, সংবর্ধনা পেলেন ছয় গুণীজন মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের সাথে মতবিনিময় সভা কুমিল্লায় ১০ বিজিবির অভিযানে ৯৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক জনগণ প্রমাণ করেছে বিএনপির রাজনীতিই সঠিক : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জামালগঞ্জে লক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবন নিলামে বিক্রি মধ্যনগরে কিশোর কণ্ঠ শিক্ষা মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ছাতিম ফুলের সুরভীত সৌন্দর্যে বিমোহিত প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকরা রেলবহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে ২০০ নতুন কোচ, নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা : রেলওয়ে মহাপরিচালক কুমিল্লায় কিশোর কণ্ঠের মেধা বৃত্তি পরীক্ষা, অংশ নিল প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থী

দেবীগঞ্জে ৩ সন্তানের জননীকে স্ত্রী দাবি ভূমি কর্মচারীর, ‘তালাক’ দ্বন্দ্বে থানায় সাবেক-বর্তমান স্বামী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে তিন সন্তানের এক জননীকে নিজের ‘স্ত্রী’ দাবি করে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন সফিকুল ইসলাম নামে এক সরকারি কর্মচারী। তিনি উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত। তবে ওই নারীর পূর্বের স্বামী বেলাল হোসেনের দাবি— আঞ্জুয়ারা বেগম এখনো তারই স্ত্রী, তাকে ফুসলিয়ে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন সফিকুল। এই ‘বিয়ে ও তালাক’ নাটক নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিষয়টি এখন গড়িয়েছে থানা পুলিশ পর্যন্ত।

বুধবার ২৮ অক্টোবর বিকেলে উপজেলার দেবীডুবা ইউনিয়নের খুটামারা এলাকায় এই অদ্ভুত ঘটনাটি জানাজানি হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়রা জানান, ভূমি অফিসের কর্মচারী সফিকুল ইসলাম প্রায়ই খুটামারা এলাকার আছিম উদ্দিনের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেশীদের মনে সন্দেহ জাগলে বুধবার বিকেলে সফিকুলকে ওই বাড়িতে হাতেনাতে অবরুদ্ধ করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখনই বোমা ফাটান সফিকুল; সবার সামনে দাবি করেন— বাড়ির মালিক আছিম উদ্দিন তার শ্বশুর এবং আছিম উদ্দিনের মেয়ে আঞ্জুয়ারা বেগমকে তিনি ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে করেছেন।

তবে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আঞ্জুয়ারা বেগমের স্বামী হিসেবে তারা দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পূর্ব দেবীডুবা সবুজপাড়া এলাকার বেলাল হোসেনকে চেনেন। তাদের জানা মতে, আঞ্জুয়ারা ও বেলালের প্রায় ২৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের প্রশ্নের মুখে আঞ্জুয়ারা বেগম জানান, তিনি আগের স্বামীকে তালাক দিয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তালাকের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। তালাকের কাগজপত্র আগের স্বামীর ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠিয়েছেন বলেও দাবি করেন আঞ্জুয়ারা।

এ দিকে সফিকুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমীনের সঙ্গে তার সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সফিকুলের দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।

বেলাল হোসেন অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীকে ফুসলিয়ে সফিকুল ইসলাম পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এ কারণে প্রায় তিন মাস আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে গিয়ে থাকতে শুরু করেন। বুধবার হঠাৎ করে তিনি সফিকুলের সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ের দাবির বিষয়টি জানতে পারেন। স্ত্রীর তালাক প্রদানের কোন কাগজও পাননি। এ ঘটনায় তিনি দেবীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান।

তবে সফিকুল ইসলাম বলেন, গতকাল তার শ্বশুর ফোন করে দেখা করতে বলায় তিনি ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। ইসলামি শরিয়াহ মেনে তারা বিয়ে করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, তাদের মধ্যে কোনো অবৈধ সম্পর্ক নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :