প্রকল্পের অর্থ ব্যবহারে সততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে : মাভাবিপ্রবি উপাচার্য
- আপডেট সময় : ০৭:১১:৩৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৫৯ বার পড়া হয়েছে
মোঃ এরশাদ, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি : উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবহারে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।
বুধবার ১৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি (বিএমবি) বিভাগের সেমিনার হলে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও রূপান্তর ত্বরান্বিতকরণ (হিট) প্রকল্পের আওতায় উপ-প্রকল্প দলের সদস্যদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্তদের অত্যন্ত ন্যায়নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার, সরকারি আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। উন্নয়ন প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান নিজ নিজ উপ-প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজে লাগানোর জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) হিট প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উপ-প্রকল্পের সদস্য ও এটিএফসহ মোট ৩০ জন অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান বলেন, প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জনে অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী ব্যয়, নির্ধারিত নিয়মে হিসাব সংরক্ষণ এবং অডিটসংক্রান্ত নথি হালনাগাদ রাখতে হবে। যথাযথভাবে বিল-ভাউচার প্রস্তুত ও সংরক্ষণ করাও অপরিহার্য। আর্থিক ব্যবস্থাপনার নিয়ম ও পদ্ধতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকলে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা কমবে এবং কাজের গুণগত মান বাড়বে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ও হিট প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান মোগল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএমবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খাইরুল ইসলাম।
প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন হিট প্রকল্পের সিনিয়র ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট মো. মনসুরুজ্জামান খান। তিনি প্রকল্পের আর্থিক চুক্তি, ডাবল এন্ট্রি হিসাব পদ্ধতি ও উপ-প্রকল্পের তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়া আর্থিক ক্ষমতা অর্পণসংক্রান্ত ২০২৬ সালের বিধান, সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) ২০২৫ অনুযায়ী সম্মানী প্রদান, বিল পরিশোধের সমস্যা এবং নগদ ক্রয়, আরএফকিউ ও ওটিএম পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণার্থীদের ধারণা দেন।
দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও আয়কর, বাজেট ও ভাউচার রেজিস্টার সংরক্ষণ, ডেবিট-ক্রেডিট ও জার্নাল ভাউচার প্রস্তুত, ক্যাশবুক ও লেজার সংরক্ষণ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নসংক্রান্ত সমস্যা নিরসনে ফাইল নোট প্রস্তুতের ব্যবহারিক দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়।



















