ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্রমিক দলের সমাবেশ ও মিছিল চরফ্যাশনে ডোবা থেকে গলা ও পেট কাটা যুবকের মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের ঘরে বিক্ষুব্ধ জনতার আগুন নিষিদ্ধ ঘোষিত স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি চেয়ারম্যান পদে পূর্ণ বহাল বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ভুটানের গাড়ি চালককে মারধরের অভিযোগ পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে জিসাসের সমাবেশ তেঁতুলিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত : ‘পর্যটননগরী’ ঘোষণার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান নবীকে নিয়ে কটূক্তির মামলা নিয়ে “বিভ্রান্তি” বাদীর সংবাদ সম্মেলন টুঙ্গিপাড়াসহ পাঁচ উপজেলায় এনসিপির (আংশিক) কমিটি ঘোষণা  তাহিরপুর সীমান্তে চোরাচালানের লাইনম্যান’ পরিচয়ে সক্রিয় আব্দুর রফ

বর্জ্য অপসারণে চিমটি হাতে রাস্তায় আমতলীর ইউএনও

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:৫২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরগুনা প্রতিনিধি : বরগুনা আমতলী পৌর শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে এবার নিজেই চিমটি হাতে রাস্তায় নেমে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক হাসান মো. হাফিজুর রহমান। তাঁর সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রনজিৎ চন্দ্র দাস, পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. কবির হোসেন, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং বিডি ক্লিনের স্বেচ্ছাসেবীরা।

শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টার দিকে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাসস্ট্যান্ড ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি কলেজসংলগ্ন এলাকায় এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে ইউএনও নিজ হাতে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা তুলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলেন। একই সঙ্গে তিনি পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা বর্জ্য অপসারণ করেন। এ সময় রাস্তার পাশে ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলার জন্য ব্যবসায়ী ও পথচারীদের সচেতন করা হয়।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, হাসান মো. হাফিজুর রহমান আমতলীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই পৌর শহরের পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। শহরের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণের পাশাপাশি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বর্জ্য অপসারণের জন্য চিমটি, বেলচা, ট্রলি, বালতি, হ্যান্ডগ্লাভস, আঁচড়া (রেক)সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। ফলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তুলনামূলক নিরাপদভাবে বর্জ্য অপসারণের সুযোগ পাচ্ছেন।

অভিযানকালে ইউএনও ও পৌর প্রশাসক হাসান মো. হাফিজুর রহমান ব্যবসায়ীদের দোকানে দোকানে গিয়ে কথা বলেন। তিনি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য যত্রতত্র রাস্তা, ড্রেন কিংবা খোলা জায়গায় না ফেলে পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে রাখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “প্রত্যেক নাগরিককে নিজের বাসাবাড়ি, আঙিনা, দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অফিস-প্রতিষ্ঠান নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলতে হবে। যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা হলে শহরের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ড্রেন ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়।”

তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়তে শুধু পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ওপর নির্ভর করলে হবে না। নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। প্রশাসন, পৌরসভা, ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিক—সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব।

বিডি ক্লিনের স্বেচ্ছাসেবীরা বলেন, পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। শুধু অভিযান চালিয়ে ময়লা অপসারণ করলেই হবে না; বর্জ্য যেখানে-সেখানে না ফেলার অভ্যাসও গড়ে তুলতে হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা ইউএনওর এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :