সাতক্ষীরা বড় বাজারে সড়ক দখলের প্রতিযোগিতা, নিয়ন্ত্রণহীন ভ্যান-ইঞ্জিনভ্যানের দৌরাত্ম্যে তীব্র যানজট
- আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৪২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে বছরজুড়েই অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান পরিচালিত হলেও শহরের প্রাণকেন্দ্র বড় বাজারের চিত্র যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাজারের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ সড়ক ও ফুটপাত পর্যন্ত মহেন্দ্র, ইজিবাইক, ইঞ্জিনচালিত ভ্যান এবং ব্যবসায়ীদের পণ্যসামগ্রীতে দখল হয়ে আছে। নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহন চলাচল, যত্রতত্র পার্কিং ও সড়ক দখলের কারণে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতা, পথচারী ও ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ডে-নাইট কলেজ এলাকা থেকে বড় বাজারের কাঁচাবাজারে প্রবেশের মুখেই সড়কের ওপর কয়েকটি ভ্যান ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে মালামাল ওঠানো-নামানোর কাজ চলছে। বাজারের ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, ফুটপাতের বড় একটি অংশ দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন অনেকে। কারও কারও নিজস্ব দোকান থাকলেও অতিরিক্ত মুনাফার আশায় দোকানের সামনের সড়ক ও ফুটপাতজুড়ে পণ্যসামগ্রী সাজিয়ে ব্যবসা করছেন। ফলে পথচারীদের চলাচলের জায়গা ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
আরও সামনে মুদিদোকান এলাকায় দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভ্যান, ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যান। এতে সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। মাছবাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, একাধিক ইঞ্জিনচালিত ভ্যান সড়কের ওপর দাঁড় করিয়ে মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বাজারের ভেতরে স্বাভাবিক চলাচলের পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে বড় বাজারের প্রবেশপথে রাস্তার প্রায় অর্ধেক দখল করে সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মহেন্দ্র ও ইজিবাইক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বেসিক ব্যাংকের সামনের অংশ থেকে বড় বাজারের প্রবেশমুখ পর্যন্ত এসব যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকার কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। অনেক সময় বাজারে প্রবেশের মুখেই ভ্যান ইজি বাইক থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো হয়।
স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ, প্রতিদিন বাইরে থেকে অনেক অপরিচিত ভ্যান, ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত যানবাহন বাজারে প্রবেশ করে। বাজারের অভ্যন্তরীণ চলাচলের নিয়ম সম্পর্কে তাদের ধারণা না থাকায় এবং যেখানে-সেখানে যানবাহন দাঁড় করানোর কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। তবে বাজারের ভেতরে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাঁরা।

















