ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চামরদানী ইউনিয়নবাসীকে এম শহীদের শারদীয় শুভেচ্ছা মা ইলিশ রক্ষায় টুঙ্গিপাড়ায় ৩০০ জেলে পরিবারকে খাদ্য সহায়তা, সাড়ে ৭ টন ভিজিএফের চাল বিতরণ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’টি ককটেল বিস্ফোরণ  সাতক্ষীরা দর্শনার্থীর ভিড়ে জমজমাট গুড়পুকুর মেলা, সন্ধ্যার সময়টুকু চান ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরায় ২৫০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সূচনা সাতক্ষীরা টিটিসি অধ্যক্ষের সাথে জেলা যুব অধিকার পরিষদের মত বিনিময় সভা  রাস্তার উপরে বালু-পাথর লোডের অভিযোগে বক্তব্য না দিয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন চাইলেন পরিবেশ কর্মকর্তা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩০টি হারানো মোবাইল উদ্ধার ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই : নূরুল ইসলাম বুলবুল গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং, প্রশাসনের বাদী হয়ে মামলা

বিশ্বম্ভরপুরে ৩ বাজারের খাস কালেকশন নিলামে বিক্রি, সর্বোচ্চ ডাক ৩৬ লাখ টাকার বেশি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৯:৪৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তৌফিকুর রহমান তাহের, বিশেষ প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ইজারাবিহীন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারের খাস কালেকশনের জন্য উন্মুক্ত নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কড়া প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বাজার তিনটির খাস কালেকশন বাবদ মোট ৫৯ লাখ ২২ হাজার টাকার সর্বোচ্চ ডাক উঠেছে।

মঙ্গলবার ১১ আগস্ট দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সকিনা আক্তার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই নিলাম সম্পন্ন হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ১ ভাদ্র থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত নির্ধারিত মেয়াদের জন্য সর্বোচ্চ দরদাতাদের হাতে খাস কালেকশনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়।

বাঘবেড় বাজার নিলামে সর্বমোট ৩৩ জন অংশগ্রহণ করেন। সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতা হওয়া এই বাজারে আঃ হাই সর্বোচ্চ ৩৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা হাঁকিয়ে খাস কালেকশনের দায়িত্ব নেন।

চিনাকান্দি বাজার ২৯ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে জাহিদ হাসান সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ডাক দিয়ে দায়িত্ব লাভ করেন।

বিশ্বম্ভরপুর বাজার: ২৩ জন দরদাতার মধ্যে প্রতিযোগিতা শেষে সর্বোচ্চ ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা দর দিয়ে জাহাঙ্গীর আলম খাস কালেকশনের অধিকার পান।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, সরকারি সব বিধি-বিধান মেনে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে উন্মুক্ত নিলাম পরিচালনা করা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্ধারিত নিয়ম ও সময়ের মধ্যে খাস কালেকশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিলামকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ দেখা যায়। এভাবে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে খাস কালেকশন দেওয়ায় রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিশ্বম্ভরপুরে ৩ বাজারের খাস কালেকশন নিলামে বিক্রি, সর্বোচ্চ ডাক ৩৬ লাখ টাকার বেশি

আপডেট সময় : ০৮:১৯:৪৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

তৌফিকুর রহমান তাহের, বিশেষ প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ইজারাবিহীন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারের খাস কালেকশনের জন্য উন্মুক্ত নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কড়া প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বাজার তিনটির খাস কালেকশন বাবদ মোট ৫৯ লাখ ২২ হাজার টাকার সর্বোচ্চ ডাক উঠেছে।

মঙ্গলবার ১১ আগস্ট দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সকিনা আক্তার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই নিলাম সম্পন্ন হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ১ ভাদ্র থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত নির্ধারিত মেয়াদের জন্য সর্বোচ্চ দরদাতাদের হাতে খাস কালেকশনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়।

বাঘবেড় বাজার নিলামে সর্বমোট ৩৩ জন অংশগ্রহণ করেন। সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতা হওয়া এই বাজারে আঃ হাই সর্বোচ্চ ৩৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা হাঁকিয়ে খাস কালেকশনের দায়িত্ব নেন।

চিনাকান্দি বাজার ২৯ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে জাহিদ হাসান সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ডাক দিয়ে দায়িত্ব লাভ করেন।

বিশ্বম্ভরপুর বাজার: ২৩ জন দরদাতার মধ্যে প্রতিযোগিতা শেষে সর্বোচ্চ ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা দর দিয়ে জাহাঙ্গীর আলম খাস কালেকশনের অধিকার পান।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, সরকারি সব বিধি-বিধান মেনে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে উন্মুক্ত নিলাম পরিচালনা করা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্ধারিত নিয়ম ও সময়ের মধ্যে খাস কালেকশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিলামকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ দেখা যায়। এভাবে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে খাস কালেকশন দেওয়ায় রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।