বিএনপি সরকার ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের জন্য বিপদ সংকেত জাতীয়তাবাদী নামধারী মিডিয়া
- আপডেট সময় : ১১:৫৫:৫৯ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি সরকার ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অর্জনকে নস্যাৎ করতে সবচেয়ে বড় বিপদ হিসেবে জাতীয়তাবাদী নামধারী মিডিয়া এবং ভিতরে থাকা মীরজাফরদের ভূমিকাকে দায়ী করেছেন ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার।
শুক্রবার ১৬ অক্টোবর রাতে গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আগে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট মিডিয়ার টকশোতে সাহসের সঙ্গে স্বৈরাচারের দোসরদের মুখের উপর প্রতিবাদ করতেন হাবিবুর রহমান হাবিব ভাইয়ের মতো নেতারা। এটমিক বোমা-বারুদের মত বলিষ্ঠ ভূমিকায় তিনি টকশোতে কথা বলতেন।
অথচ বিএনপি সরকার গঠনের পর যারা নতুনভাবে টেলিভিশনের দায়িত্ব নিয়েছেন, তাদের টকশোতে হাবিব ভাইয়ের উপস্থিতি একেবারেই নেই বললেই চলে।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “আপনাদের উপস্থিতি তো চব্বিশের জুলাইয়ের আগে-পরে মিলিয়ে শূন্য কোঠায়। আজ আপনারা নিজেদের এত শক্তিশালী কিভাবে মনে করেন? এই শক্তির উৎস কোথা থেকে এসেছে?”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চব্বিশের জুলাই আন্দোলন ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের বিজয় কোনো ব্যক্তি বিশেষের স্বার্থ রক্ষার জন্য হয়নি। কঠিন সময়ের জীবন সংগ্রামকে কোনোভাবেই ব্যক্তি স্বার্থে জলাঞ্জলি দিতে দেওয়া হবে না।
তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে জি হুজুর, আচ্ছা হুজুর স্বভাবের সাংবাদিক সমাজের আচার-আচরণ বিএনপি সরকারকে বিপদজনক পরিবেশের দ্বারপ্রান্তে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট মিডিয়াকে শক্তিশালী করার পেছনে এই জাতীয়তাবাদী নামধারী সাংবাদিক সমাজই দায়ী। তাদের লাজলজ্জা বলতে কিছু নেই।
মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার আরও অভিযোগ করেন, এরা সবাই সমন্বয় করে লীগের পক্ষে নিয়মিত বয়ান তৈরি করছে। শেখ হাসিনাসহ লীগের সিনিয়র নেতাদের এবং দেশের বাইরে থাকা নেতাদের সাথে পরামর্শ করে কাজ করছে।
সম্প্রতি নাহিদ আক্তার নামে এক ভারতীয় প্রোডাক্টকে মিডিয়াতে দেখা যাচ্ছে, যাকে মাসুদ কামালরাই নিয়ে এসেছে বলেও তিনি দাবি করেন। কালের কণ্ঠে আমদানি করা ওই নারী চরম আওয়ামী ও ভারত প্রেমী। এছাড়া মহসিন রশিদ প্রকাশ্যেই লীগের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং কলকাতা থেকে আনা সঞ্চালক লীগের প্রতি সফট।
উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, একটি টকশোতে চারজন অতিথির মধ্যে তিনজন আওয়ামী লীগ এবং আরেকজন ভাড়া করা বিএনপি। সেখানে ফারুক হাসানকে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতো ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপি সরকারে থাকা সত্ত্বেও গণমাধ্যমগুলো এই সাহস কোথায় পায়, তা নিয়ে তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়ের নীরব ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
ভারত ও লীগের পারপাস সার্ভ করতেই এই মহিলাকে মিডিয়াতে পাঠানো হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এই মহিলাকে অতিদ্রুত থামানো দরকার, না হয় বিপদ ঘনিয়ে আসতে সময় লাগবে না। কারা কলকাতার এই প্রোডাক্টকে মিডিয়াতে নিয়ে এসেছে, তা খুঁজে বের করারও আহ্বান জানান তিনি।

























