ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতক্ষীরা জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত সদস্যদের পরিচিতি সভা ও শপথ গ্রহণ সাতক্ষীরায় ফ্যামিলি হেলথ কেয়ার সেন্টারে এক মাস বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা চালু সাতক্ষীরা ৩৫ হাজার মুক্তার কারুকাজে দুর্গাপ্রতিমা, বাড়ছে দর্শনার্থী পঞ্চগড়ে নারী উদ্যোক্তা হাটের উদ্বোধন  রাজিবপুরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার  বগুড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদ পরিবার সোসাইটির স্মরণসভা গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘিরে উত্তেজনা, দুই শিক্ষার্থীকে মারধর  মধ্যনগরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা গোপালগঞ্জে চায়না দুয়ারী জালে ধ্বংসের মুখে মৎস্য সম্পদ

গোপালগঞ্জে চায়না দুয়ারী জালে ধ্বংসের মুখে মৎস্য সম্পদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:২৭ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র দিয়ে প্রবাহিত লেক ও খালে প্রকাশ্যে অবৈধ ‘চায়না দুয়ারী’ জাল দিয়ে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ শিকারের মহোৎসব চলছে। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা সবার চোখের সামনে অবৈধ এই জালের যথেচ্ছ ব্যবহারে উজাড় হচ্ছে রেনু-পোনা ও প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ, যার ফলে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে এলাকার সামগ্রিক জলজ পরিবেশ।

সরেজমিনে দেখা যায়, পাঁচুড়িয়া খালের মধুমতি লেকের সংযোগস্থল, জেলা খাদ্য গুদাম সংলগ্ন এলাকা এবং পাঁচুড়িয়া পৌর নিউ মার্কেট সংলগ্ন পানিতে বেশ কিছু অসাধু মৎস্য শিকারি একের পর এক চায়না দুয়ারী জাল পেতে রেখেছে। শহরের পাশ দিয়ে মানিকদাহ থেকে হরিদাসপুর পর্যন্ত বিস্তৃত মধুমতি লেক এবং এর শাখা পাঁচুড়িয়া খালের বিভিন্ন পয়েন্টে নিষিদ্ধ নানা ধরনের মাছ ধরার সরঞ্জাম দিয়ে প্রতিনিয়ত অবাধে এই তাণ্ডব চালানো হচ্ছে। সূক্ষ্ম ফাঁদের এই চায়না দুয়ারী জালে রেনু-পোনা থেকে শুরু করে প্রজননক্ষম বড় মাছ—কিছুই রক্ষা পাচ্ছে না।

স্থানীয় পরিবেশবিদ ও সচেতন নাগরিকদের মতে, উন্মুক্ত জলাশয়ে নিষিদ্ধ এই জালের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের ফলে দেশীয় প্রজাতির নানা মাছ চিরতরে বিলুপ্তির পথে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। মাছের প্রাকৃতিক বংশবৃদ্ধি তো বাধাগ্রস্ত হচ্ছেই, সেই সঙ্গে লেকের পানির বাস্তুতন্ত্র ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। অতিদ্রুত প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং এসব নিষিদ্ধ জাল জব্দ করে আইনি ব্যবস্থা না নিলে অদূর ভবিষ্যতে শহরের ভেতরের এই জলাশয়গুলো সম্পূর্ণ মৎস্যশূন্য হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :