শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে এক বছরের পরিকল্পনা মাভাবিপ্রবির
- আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৩৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি : পরিবর্তিত কর্মবাজার ও প্রযুক্তিনির্ভর চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে আগামী এক বছরের মধ্যে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উপযোগী করে গড়ে তুলতে এআই সেন্টার, ভাষা ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে কারিগরি, ভাষাগত ও অন্যান্য ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
এ বিষয়ে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমঝোতা স্মারক (MoU) ও চুক্তি সম্পাদনের কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে মাভাবিপ্রবিকে শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে আরও উচ্চতর অবস্থানে নিয়ে যেতে কাজ করা হচ্ছে।
বুধবার ৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩-এর কনফারেন্স রুমে ‘Data Collection Strategy for Student Skills Development Needs Assessment’ শীর্ষক প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও কাউন্সেলিং সেন্টার এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।
উপাচার্য বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মাভাবিপ্রবিকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের প্রয়োজন সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে কার্যকর তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি ও কৌশল সম্পর্কে ধারণা দেওয়া। শিক্ষার্থীদের বর্তমান দক্ষতা, প্রয়োজন এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের চাহিদা বিশ্লেষণের মাধ্যমে কার্যকর দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়নে এ তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রশিক্ষণে মূল বিষয়ে রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য দেন DPDS-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিকুল কবির, পিএইচডি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষার্থী কল্যাণ ও কাউন্সেলিং সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।




















